➤ উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার শীতকালীন গ্রামীণ দৃশ্য বর্ণনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
➤ গ্রামীণ নিসর্গ নয়নাভিরাম। গ্রামের স্নিগ্ধ-শীতল বাতাসে যেন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। গ্রামীণ পরিবেশে মানুষ যতটা স্বস্তি অনুভব করে তা শহরে পাওয়া যায় না। নগরকেন্দ্রিক জীবন ব্যস্ততা ও যান্ত্রিকতায় পূর্ণ।
➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি গ্রামীণ নিসর্গের বর্ণনা করেছেন। কবি শহরে যাওয়ার ট্রেন ধরতে না পেরে পুনরায় গ্রামে ফিরে যাবেন বলে ভাবতে থাকেন অখ্যাত এক স্টেশনে বসে। তখন তাঁর মানসপটে শীতকালীন গ্রামীণ প্রকৃতির রূপসৌন্দর্য ভেসে ওঠে। শিশিরে কবির পাজামা ভিজে যাবে, শীতের সকালে লাল সূর্য উঠবে, নদী ও জলার ওপর দিয়ে এক ঝাঁক বক উড়ে যাবে এমন নানা প্রাকৃতিক অনুসর্গ ও নৈসর্গিক রূপ তিনি কবিতায় তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকেও এমন শীতকালীন গ্রামীণ প্রকৃতি দেখা যায়। নদীর কাজল, সবুজ তৃণের আঁচল, ধুলোর নূপুর, শিশির খোঁপায় বকুল যুথী নানা প্রসঙ্গ ফুটে উঠেছে। এভাবেই উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার শীতকালীন গ্রামীণ দৃশ্য বর্ণনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সারকথা: উদ্দীপকের গ্রামীণ নিসর্গের বর্ণনা কবিতায় কবির মানসপটে গ্রামীণ দৃশ্যের রূপ সাদৃশ্যপূর্ণ।