শেয়ারFacebookWhatsApp

"শহর বা নাগরিক জীবনের চেয়ে মাতৃতুল্য গ্রামীণ সহজ জীবনই কবির জন্য পরম স্বস্তির।"- উদ্দীপক ও পঠিত কবিতা অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ➤ "শহর বা নাগরিক জীবনের চেয়ে মাতৃতুল্য গ্রামীণ সহজ জীবনই কবির জন্য পরম স্বস্তির।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ গ্রামীণ পরিবেশ ও প্রকৃতি খুবই সুন্দর ও নির্মল। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেকোনো মানুষকে মুগ্ধ কর। গ্রামের মাঠে যখন ফসল থাকে তখন সবুজের সমারোহ সবাইকে আকুল করে। গ্রামের মানুষ সহজ-সরল জীবন কাটায়। ➤ উদ্দীপকের লেখক মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে তাঁর পাড়াতলী গাঁয়ে ফিরে যেতে চান। গাছে ঘেরা পুকুরপাড়ে বসে বিকেল বেলায় সময় কাটাতে চান সেখানে দুচোখ ভরে আলো-ছায়ার খেলা দেখতে চান। গ্রামীণ জীবনের প্রতি লেখকের এমন অনুরাগ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায়ও দেখা যায়। এ কবিতায় কবি এক প্রকার বাধ্য হয়ে শহরে যেতে চাইলেও গ্রামীণ সহজ জীবনই তাঁর কাছে স্বস্তির। শহরমুখী ট্রেন ধরতে না পারার সব লজ্জা ও সংকোচ ভুলে তিনি আবারও ফিরে যেতে চান তাঁর মায়ের কাছে, জন্মভূমির প্রকৃতির কাছে। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে পারেননি। ফলে তিনি তাঁর চিরচেনা গ্রামীণ জীবনে ফিরে যেতে চান। কারণ নাগরিক জীবনে তিনি স্বস্তি খুঁজে পাননি। তিনি স্বস্তি খুঁজে পেয়েছেন মাতৃতুল্য গ্রামীণ জীবনে। গ্রামীণ প্রকৃতিকে জড়িয়ে ধরে কবি তাঁর সব লজ্জা ও সংকোচ মুছে ফেলতে চেয়েছেন। উদ্দীপকের কবির মধ্যেও গ্রামীণ জীবনের প্রতি এমন অনুরাগ ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে না পেরে ছুটে যেতে চেয়েছেন তাঁর চিরচেনা গ্রামীণ জীবনে যা উদ্দীপকের লেখকের মধ্যেও ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা · সৃজনশীল

"শহর বা নাগরিক জীবনের চেয়ে মাতৃতুল্য গ্রামীণ সহজ জীবনই কবির জন্য পর…

উদ্দীপক

মেঘনা নদী দেব পাড়ি কল-অলা এক নায়ে। আবার আমি যাব আমার পাড়াতলী গাঁয়ে। গাছ-ঘেরা ঐ পুকুরপাড়ে বসব বিকেল বেলা। দু-চোখ ভরে দেখব কত আলো-ছায়ার খেলা।

উত্তর

প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতাটি কবি আল মাহমুদ লিখেছেন।

উত্তর

➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মা একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি হয়ে উঠেছেন স্বদেশের প্রতি কবির গভীর অনুরাগের মাধ্যমে। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহর বা নাগরিক জীবনের প্রতি অনাগ্রহ দেখিয়েছেন। স্টেশনে গিয়ে শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতে পারেননি। তখন তিনি কল্পনায় বাড়ি ফিরে গিয়ে মায়ের হাসি-মাখা মুখ দেখতে পেয়েছেন। শেষ ট্রেন ধরতে না পারার ব্যর্থতা তিনি মাকে জড়িয়ে ধরে মুছে ফেলতে চেয়েছেন। কবির এই যা একই সঙ্গে তাঁর জন্মভূমির প্রকৃতি হয়ে উঠেছেন। প্রকৃতি যেন ভাঁকে সাদরে গ্রহণ করেছে; আর এ প্রকৃতিকে জড়িয়েই যেন কবি নিজের প্রত্যাবর্তনের লজ্জা ভুলে যাবেন। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরের জীবনে খাপ খাওয়াতে একই সঙ্গে তাঁর জন্মভূমির গ্রামীণ প্রকৃতির অন্যরূপ। ত না পেরে তাঁর মায়ের কাছে ফিরে যেতে চেয়েছেন। তাঁর এই মা

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির গ্রামের ফেরার ইচ্ছার দিকটির মিল রয়েছে। ➤ বলা হয়ে থাকে জন্মভূমি মানুষের কাছে স্বর্গের চেয়েও প্রিয়। কেননা জন্মভূমি মানুষকে ঠিক মায়ের মতোই স্নেহ, মায়া, মমতা দিয়ে আগলে রাখে। জন্মভূমির প্রকৃতি মানুষকে আপন করে নেয়। তাই মানুষ জন্মভূমির কাছে বারবার ফিরে যেতে চায়। ➤ উদ্দীপকে লেখক মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে তাঁর পাড়াতলী গাঁয়ে ফিরে যেতে চান। তিনি তাঁর গ্রামের প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানোর কথা ভাবেন। কবির গ্রামে ফেরার এমন আকৃতি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির মধ্যেও লক্ষ করা যায়। এ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতে না পারায় স্টেশনে বসে তাঁর মা ও জন্মভূমির কথা ভাবেন। সমস্ত হতাশা- নৈরাশ্য কাটিয়ে তিনি আবারও তাঁর চিরচেনা গ্রামের বাড়িতে ফিরে যেতে চান। সব ভয় ও সংকোচ ভুলে তিনি তাঁর মা তথা মাতৃভূমির প্রকৃতির কাছে গিয়ে প্রত্যাবর্তনের লজ্জা মুছে ফেলার আকুতি ব্যক্ত করেছেন। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার ট্রেন ধরতে না পেরে স্টেশনে বসে তাঁর গ্রামীণ প্রকৃতির কাছে ফিরে যেতে চেয়েছেন, যা । উদ্দীপকের কবির গ্রামে ফেরার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

➤ "শহর বা নাগরিক জীবনের চেয়ে মাতৃতুল্য গ্রামীণ সহজ জীবনই কবির জন্য পরম স্বস্তির।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ গ্রামীণ পরিবেশ ও প্রকৃতি খুবই সুন্দর ও নির্মল। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেকোনো মানুষকে মুগ্ধ কর। গ্রামের মাঠে যখন ফসল থাকে তখন সবুজের সমারোহ সবাইকে আকুল করে। গ্রামের মানুষ সহজ-সরল জীবন কাটায়। ➤ উদ্দীপকের লেখক মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে তাঁর পাড়াতলী গাঁয়ে ফিরে যেতে চান। গাছে ঘেরা পুকুরপাড়ে বসে বিকেল বেলায় সময় কাটাতে চান সেখানে দুচোখ ভরে আলো-ছায়ার খেলা দেখতে চান। গ্রামীণ জীবনের প্রতি লেখকের এমন অনুরাগ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায়ও দেখা যায়। এ কবিতায় কবি এক প্রকার বাধ্য হয়ে শহরে যেতে চাইলেও গ্রামীণ সহজ জীবনই তাঁর কাছে স্বস্তির। শহরমুখী ট্রেন ধরতে না পারার সব লজ্জা ও সংকোচ ভুলে তিনি আবারও ফিরে যেতে চান তাঁর মায়ের কাছে, জন্মভূমির প্রকৃতির কাছে। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে পারেননি। ফলে তিনি তাঁর চিরচেনা গ্রামীণ জীবনে ফিরে যেতে চান। কারণ নাগরিক জীবনে তিনি স্বস্তি খুঁজে পাননি। তিনি স্বস্তি খুঁজে পেয়েছেন মাতৃতুল্য গ্রামীণ জীবনে। গ্রামীণ প্রকৃতিকে জড়িয়ে ধরে কবি তাঁর সব লজ্জা ও সংকোচ মুছে ফেলতে চেয়েছেন। উদ্দীপকের কবির মধ্যেও গ্রামীণ জীবনের প্রতি এমন অনুরাগ ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে না পেরে ছুটে যেতে চেয়েছেন তাঁর চিরচেনা গ্রামীণ জীবনে যা উদ্দীপকের লেখকের মধ্যেও ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আমি খানিকটা ঘরকুনো আর শান্তিপ্রিয় জীব। বাইরের পৃথিবীতে ছুটে বেরোবার শখ আছে, কিন্তু সাহস নেই। অনিশ্চয় অ্যাডভেঞ্চার সবসময়ে আমাকে রোমাঞ্চিত করে তোলে না বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উদ্বি আছে কিনা সাহা নেই। অলির অ্যাঙ্কেই ট্রেন পরমোৎসাহে ছুটতে লাগল। গাড়ির চাকার যেন মেল ট্রেনের ছন্দ মিলেছে। একটার পর একটা স্টেশন পেছনে সরে যেতে লাগল, তারপর নক্ষত্র কার পায়াপথের আলোয় আভাসিত দিগন্তে মাথা তুলে দাঁড়ালো জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরির শিখরমালা- গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ। তীব্র দুইসিলের শব্দ করে ট্রেন একটা বাঁক ঘুরল।
কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?
"আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের মূলভাব কি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আমি খানিকটা ঘরকুনো আর শান্তিপ্রিয় জীব। বাইরের পৃথিবীতে ছুটে বেরোবার শখ আছে, কিন্তু সাহস নেই। অনিশ্চয় অ্যাডভেঞ্চার সবসময়ে আমাকে রোমাঞ্চিত করে তোলে না বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উদ্বি আছে কিনা সাহা নেই। অলির অ্যাঙ্কেই ট্রেন পরমোৎসাহে ছুটতে লাগল। গাড়ির চাকার যেন মেল ট্রেনের ছন্দ মিলেছে। একটার পর একটা স্টেশন পেছনে সরে যেতে লাগল, তারপর নক্ষত্র কার পায়াপথের আলোয় আভাসিত দিগন্তে মাথা তুলে দাঁড়ালো জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরির শিখরমালা- গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ। তীব্র দুইসিলের শব্দ করে ট্রেন একটা বাঁক ঘুরল।
কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?
"আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের মূলভাব কি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

স্টেশনে পা দিয়েই ফটকি বুঝে নেয় তার কত চেনা অঞ্চলটি আজ কতখানি পর হয়ে গেছে। কেমন যেন ভিনদেশি পরিবেশে সে পা দিয়েছে। অনেকদিন পর ফিরে এসেছে জন্ম জা'গার টানে। পুরনো ভিটেমাটি দেখে যাবে, দেখে যাবে চেনা জানা মানুষের মুখ। কতই না মন টানে। কিন্তু কই তারা কেউ ফটকিকে কাছে ডেকে একটুখানি আদর করবে, কুশল জিজ্ঞেস করবে, অনেকদিন পর ফিরে আসা ফটকিকে দেখে একটুখানি খুশি হবে তেমন লক্ষণ চোখে পড়ে না। সে এখানে, এদের মাঝে থেকেই বড় হয়ে গেল। এদের মনে কি এতটুকু আত্মীয়তা, কুটুদ্ধিতার দানা বাঁধেনি? আশ্চর্য লাগে। বিস্মিত হয় ফট্ওকি। কিন্তু দুঃতি হয় না। দমে যায় না। ফটকির একটা ভালো নাম আছে। ফটিকচান্দ।
স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?
এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

স্টেশনে পা দিয়েই ফটকি বুঝে নেয় তার কত চেনা অঞ্চলটি আজ কতখানি পর হয়ে গেছে। কেমন যেন ভিনদেশি পরিবেশে সে পা দিয়েছে। অনেকদিন পর ফিরে এসেছে জন্ম জা'গার টানে। পুরনো ভিটেমাটি দেখে যাবে, দেখে যাবে চেনা জানা মানুষের মুখ। কতই না মন টানে। কিন্তু কই তারা কেউ ফটকিকে কাছে ডেকে একটুখানি আদর করবে, কুশল জিজ্ঞেস করবে, অনেকদিন পর ফিরে আসা ফটকিকে দেখে একটুখানি খুশি হবে তেমন লক্ষণ চোখে পড়ে না। সে এখানে, এদের মাঝে থেকেই বড় হয়ে গেল। এদের মনে কি এতটুকু আত্মীয়তা, কুটুদ্ধিতার দানা বাঁধেনি? আশ্চর্য লাগে। বিস্মিত হয় ফট্ওকি। কিন্তু দুঃতি হয় না। দমে যায় না। ফটকির একটা ভালো নাম আছে। ফটিকচান্দ।
স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?
এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জালাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে: হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমূলের ডালে।
কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?
'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন কোন দিককে ধারণ করে? নিরূপণ কর।
"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জালাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে: হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমূলের ডালে।
কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?
'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন কোন দিককে ধারণ করে? নিরূপণ কর।
"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গোলেস্তান। অনেক দিন পর তোমার বুকে ফিরে এসেছি। আঃ মাটির মা আমার, কত ঠান্ডা তোমার কোল। আজ শূন্য আঙিনায় দাঁড়িয়ে প্রথমেই আমার মনে প'ড়ছে জননীর সেই স্নেহ-বিজড়িত চুম্বন আর অফুরন্ত অমূলক আশঙ্কা, আমায় নিয়ে তাঁর সেই ক্ষুধিত স্নেহের ব্যাকুল বেদনা,\ldots সেই ঘুম-পাড়ানোর সরল ছড়া,- "ঘুম-পাড়ানি মাসি-পিসি ঘুম দিয়ে যেয়ো, বাটা ভ'রে পান দেবো গাল ভ'রে খেয়ো।" আরও মনে প'ড়ছে আমাদের মা-ছেলের শত অকারণ আদর-আবদার।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় 'শীতের বিন্দু' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ভোর রাতে কবির বাড়ি ফেরার বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা কর।
"এই মা একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি।” উদ্দীপন প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর। ৪

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গোলেস্তান। অনেক দিন পর তোমার বুকে ফিরে এসেছি। আঃ মাটির মা আমার, কত ঠান্ডা তোমার কোল। আজ শূন্য আঙিনায় দাঁড়িয়ে প্রথমেই আমার মনে প'ড়ছে জননীর সেই স্নেহ-বিজড়িত চুম্বন আর অফুরন্ত অমূলক আশঙ্কা, আমায় নিয়ে তাঁর সেই ক্ষুধিত স্নেহের ব্যাকুল বেদনা,\ldots সেই ঘুম-পাড়ানোর সরল ছড়া,- "ঘুম-পাড়ানি মাসি-পিসি ঘুম দিয়ে যেয়ো, বাটা ভ'রে পান দেবো গাল ভ'রে খেয়ো।" আরও মনে প'ড়ছে আমাদের মা-ছেলের শত অকারণ আদর-আবদার।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় 'শীতের বিন্দু' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ভোর রাতে কবির বাড়ি ফেরার বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা কর।
"এই মা একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি।” উদ্দীপন প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর। ৪

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মেঘনা নদী দেব পাড়ি কল-অলা এক নায়ে। আবার আমি যাব আমার পাড়াতলী গাঁয়ে। গাছ-ঘেরা ঐ পুকুরপাড়ে বসব বিকেল বেলা। দু-চোখ ভরে দেখব কত আলো-ছায়ার খেলা।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতাটি কে লিখেছেন?
"প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মা কীভাবে একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি হয়ে উঠেছেন"- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন দিকটির মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
"শহর বা নাগরিক জীবনের চেয়ে মাতৃতুল্য গ্রামীণ সহজ জীবনই কবির জন্য পরম স্বস্তির।"- উদ্দীপক ও পঠিত কবিতা অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

এ সাত-মহলা ভবনে আমার চিরজনমের ভিটাতে স্থলে জলে আমি হাজার বাঁধনে বাঁধা যে পিঠাতে পিঠাতে। তবু হায় ভুলে যাই বারে বারে, দূরে এসে ঘর চাই বাঁধিবারে- আপনার বাঁধা ঘরেতে কি পারে ঘরের বাসনা মিটাতে। প্রবাসীর বেশে কেন ফিরি হায় চিরজনমের ভিটাতে।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কারা কবিকে হাত নেড়ে সান্তনা দিচ্ছিল? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা ও 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গাঁথা। মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

এ সাত-মহলা ভবনে আমার চিরজনমের ভিটাতে স্থলে জলে আমি হাজার বাঁধনে বাঁধা যে পিঠাতে পিঠাতে। তবু হায় ভুলে যাই বারে বারে, দূরে এসে ঘর চাই বাঁধিবারে- আপনার বাঁধা ঘরেতে কি পারে ঘরের বাসনা মিটাতে। প্রবাসীর বেশে কেন ফিরি হায় চিরজনমের ভিটাতে।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কারা কবিকে হাত নেড়ে সান্তনা দিচ্ছিল? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা ও 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গাঁথা। মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ওরে আমার মা-জননী জন্মভূমি বাঙলা রে ভোর মত আর পুণ্যবতী ভাগ্যবতী বল মা কে? কার চোখে মা নদীর কাজল সবুজ তৃণের আঁচল বুকে কার পায়ে মা ধুলোর নূপুর সন্ধ্যা দুপুর বেজেই চলে। রোজ ভোরে কে শিশির খোঁপায় বকুল যুথীর গন্ধ মাখে কার দুপুরের তন্দ্রা ভেজে ক্লান্ত ঘুঘুর বিলাপ-জলে।
কে মালপত্র তুলে দিয়ে চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়?
"এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।" ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
"জন্মভূমির প্রতি গভীর অনুরাগের দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতা একসূত্রে গাঁথা।" বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের মূলভাব কি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত? তোমাউদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মউদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটউদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন কোন দিককে ধারণ করে? নিরূপণ কর।"এই মা একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি।” উদ্দীপন প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার আলউদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা কউদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন দিকটির মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা ও 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গউদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা ক"জন্মভূমির প্রতি গভীর অনুরাগের দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতা

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।