"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
উত্তর: ➤ "উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ গ্রামীণ প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপ মানুষকে মুগ্ধ করে। এমন পরিবেশকে অবগাহন করে মানুষ আনন্দিত হয়। ফলে স্বভাবতই গ্রামীণ জীবনের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগ জন্মে। কোনো কারণে দূরে থাকলে সুযোগ পেলেই মানুষ ফিরে আসতে চায় গ্রামীণ জীবনে। ➤ উদ্দীপকে কবি বাংলার নদী, খেত, মাঠকে ভালোবেসে আবারও এখানে ফিরে আসতে চান। পাশাপাশি তিনি তুলে ধরেছেন গ্রামীণ পরিবেশের চিরাচরিত রূপ। উদ্দীপকের এই দিকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির গ্রামীণ জীবনে প্রত্যাবর্তনের আকুতি ও গ্রামীণ জীবনের কিছু বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে এগুলোই 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেনি। কারণ এ কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পেরে হতাশ হওয়া, তার বাবা-মা ও ভাই-বোনের স্মৃতি স্মরণ হওয়া প্রভৃতি দিক রয়েছে যেগুলো উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরার জন্য স্টেশনে গিয়ে সেটি আর ধরতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর যাওয়ার কথা তারা হাত নেড়ে তাঁকে সান্ত্বনা দেয়। ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির বাবা-মা, ভাই- ' বোনদের নানা স্মৃতি মনে পড়ে। কবি ভাবতে ভাবতে কল্পনায় ফিরে যান গ্রামীণ জীবনে। শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে না পারার ব্যর্থতাকে মুছে ফেলতে চান মায়ের আশ্রয়ে, মাতৃভূমির প্রকৃতির সান্নিধ্যে। কবিতার এসব দিক উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। তাই বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পারা থেকে কল্পনায় মায়ের আশ্রয়ে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পর্যন্ত অনেক সুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফুটে উঠেছে। সেগুলো উদ্দীপকে পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি তোই কয়েনায় মায়ের আশ্রয়ে।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা · সৃজনশীল
"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম …
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর