উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ➤ উদ্দীপকের লেখকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির বাড়িতে প্রত্যাবর্তন করার দিকটির বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ স্বদেশের আলো-হাওয়ার মাঝেই মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে বেড়ে ওঠে। তাই স্বদেশের প্রকৃতি ছেড়ে মানুষ কোথাও যেতে চায় না। ➤ উদ্দীপরে লেখকের বর্ণনায় দেখা যায়, বাইরের জগতে যাওয়ার তাঁর শখ থাকলেও সাহস নেই। তবু তাঁর দুর্ভাবনাকে উপেক্ষা করে উৎসাহ নিয়ে ট্রেন ছুটে চলে। একের পর এক স্টেশন তার পেছনে সরে যেতে থাকে। তিনি যেন দেখতে লাগলেন জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরি শিখরমালা গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ ইত্যাদি। অন্যদিকে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতেই পারেননি। ফলে স্টেশনে বসেই তিনি কল্পনায় চলে যেতে চেয়েছেন গ্রামের প্রিয় আঙিনায়, মা ও মাতৃভূমির প্রকৃতির কাছে। তিনি যেন সব সংকোচ ও ভয়ের ঊর্ধ্বে ঊর্ধ্বে ছুটে গেলেন মায়ের কোলে। কবির এমন প্রত্যাবর্তন উদ্দীপকের লেখকের মধ্যে দেখা যায়নি। সারকথা: উদ্দীপকের লেখকের দুর্ভাবনা উপেক্ষা করেই ট্রেনে চলতে লাগল, সেখানে লেখকের প্রত্যাবর্তন চোখে পড় না, যা 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির মধ্যে দেখা যায়।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা · সৃজনশীল
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর