উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সংকোচের দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ স্বদেশের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। স্বদেশ প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধে অবগাহন করেই প্রতিটি মানুষ বিকশিত হয়। অনেকে নিঃসংকোচে তা স্বীকার করলেও কেউ কেউ তা স্বীকার করে না। ➤ উদ্দীপকের কবি নিজেকে স্বদেশের একজন চিরপরিচিত মানুষ হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছেন। তিনি স্পষ্টই বলে দিয়েছেন যে, তিনি কোনো ভিনদেশি পথিক নন বরং এ দেশেরই একজন পরিচিতজন। তাঁর এমন নিঃসংকোচ স্বীকারোক্তি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির মধ্যে ফুটে ওঠেনি। এ কবিতায় কবির মধ্যে তাঁর মা, মাটি ও প্রকৃতির জন্য ভালোবাসা আছে। তবুও তিনি শহরে যাওয়ার উদ্দেশে স্টেশনে গেছেন। ট্রেন না পেয়ে তখন তিনি প্রত্যাবর্তন করতে চেয়েছেন তাঁর মা ও স্বদেশের প্রকৃতির কাছে। এক্ষেত্রে তাঁর মধ্যে কিছুটা সংকোচ দেখা যায়। এক্ষেত্রে উদ্দীপকের কবি নিঃসংকোচ। এভাবেই উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতাটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। সারকথা: উদ্দীপকের কবি নিঃসংকোচে নিজেকে এ দেশের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, যা আলোচ্য কবিতার কবির মধ্যে ফুটে ওঠেনি।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা · সৃজনশীল
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর