হ্যাঁ, আমি মনে করি ঔষধনীতি অনুসরণে মি. অনিক চন্দ্রের ব্যবসায় সফলতা লাভে সক্ষম।
প্রথমত, মি. অনিক ঔষধ তৈরি করার জন্য প্রাকৃতিক গাছগাছড়া ব্যবহার করেন যা স্বাস্থ্যসম্মত। প্রকৃতিপ্রদত্ত কাঁচামাল কখনো অস্বাস্থ্যকর হয় না। ফলে তার ঔষধে ভেজাল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রাচীনকাল হতে মানুষ ঔষধ হিসেবে গাছগাছড়াকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। ফলে বলা যায়, তার ঔষধ ব্যবসায় সফলতা লাভে এটি সহায়ক হবে।
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি কাজের জন্য একটি নীতি থাকে। ঔষধ তৈরি করার জন্যও একটি নীতি তৈরি করা হয়েছে যা ঔষধ নীতি ১৯৮২ নামে পরিচিত। এ নীতিতে বলা আছে কীভাবে ঔষধ তৈরি করলে তা মানুষের জন্য ভালো হবে এবং উৎপাদিত ঔষধ বাজারজাত করা যাবে। তিনি যেহেতু মানের প্রতি গুরুত্ব দেন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ নিজ দায়িত্বে বাজার থেকে তুলে নেন তাহলে এ সততাও কাজে লাগবে।
সুতরাং বলা যায়, প্রাকৃতিক উৎস ব্যবহার ও ঔষধ নীতি অনুসরণ করার কারণে মি. অনিক তার ব্যবসায়ে সফলতা পাবে।