HSC Marketing 2nd Paper MCQ ও বোর্ড প্রশ্ন

Marketing 2nd Paper বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, MCQ ও CQ অনুশীলন করো। অধ্যায় বেছে প্রশ্ন দেখো অথবা নিচের সাম্প্রতিক প্রশ্ন থেকে শুরু করো।

৩,৪০৮

মোট প্রশ্ন

0

অধ্যায়

commerce

গ্রুপ

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। এদিকটি বিবেচনা করে ট্রান্সটেক কোম্পানি বিনামূল্যে সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধ পরিবর্তন করে এনার্জি বাল্ব দেওয়ার ঘোষণা দিল। ঘোষণার পরই সকলে সাধারণ বাহু নিকটস্থ বায় বিক্রয় বিনিয়োগ কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বাল্ব সংগ্রহ করলেন।

Dinajpur · 2017

টেলি মার্কেটিং বলতে কি বুঝ?

উত্তর

টেলিমার্কেটিং হলো একটি প্রত্যক্ষ বিপণন ব্যবস্থা। প্রত্যক্ষ বিপণন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উৎপাদনকারী এবং ভোক্তার মাঝখানে কোনো মধ্যস্থব্যবসায়ী থাকে না। টেলিমার্কেটিং পদ্ধতিতে বিনা খরচে টেলিফোন কলের ব্যবস্থা রাখা হয়। এরূপ টেলিফোনকে বলা হয় নিঃখরচা টেলিফোন কল। গ্রাহকরা এরূপ নাম্বারে কল করে পণ্য সম্পর্কিত তথ্য জানতে পারে এবং অর্ডার দিতে পারে। তাই এক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতার সশরীরে উপস্থিত থাকা জরুরি নয়।
ট্রান্সটেক কোম্পানির কর্মসূচিটি কোন ধরনের মার্কেটিং? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ট্রান্সটেক কোম্পানির কর্মসূচিটি হলো গ্রিন মার্কেটিং।পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন ও বিপণন করাই গ্রিন মার্কেটিং-এর উদ্দেশ্য। গ্রিন মার্কেটিং-এ পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হয়। এর অন্যতম প্রয়োগ ক্ষেত্র হলো শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার। সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই ট্রান্সটেক কোম্পানি সাধারণ বান্ধের পরিবর্তে বিনামূল্যে এনার্জি বাল্ব সরবরাহের ঘোষণা দেয়। ফলে ক্রেতাদের কাছে যেসব সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্ব আছে সেগুলো তারা কাছাকাছি অবস্থিত বাল্ব বিক্রয় কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বান্ধ সংগ্রহ করে। ক্রেতারা এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এতে কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয় করেই চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে প্রকৃতির ওপর যে চাপ পড়ে, তা কমে আসবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত কয়লা, তেল, তাপ ইত্যাদির সাশ্রয় হবে যা গ্রিন মার্কেটিংয়ের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, ট্রান্সটেক কোম্পানি গ্রিন মার্কেটিং অনুসরণ করছে।
ট্রান্সটেক কোম্পানির নেওয়া উদ্যোগটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কতটুকু গুরত্বপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ট্রান্সটেক কোম্পানির গৃহীত উদ্যোগটি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খুবই ইতিবাচক এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গ্রিন মার্কেটিং -এ পরিবেশ দূষণ রোধ এবং পরিবেশের নিরাপত্তা বিধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। বর্তমান বৈশ্বিক উষ্ণতা বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় দেশসমূহের জন্য হুমকি স্বরূপ। গ্রিন মার্কেটিং এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে তুলনামূলক বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়। তাই ট্রান্সটেক কোম্পানি এসব বান্ধ ফেরত নিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এনার্জি বাল্ব দেয়ার ঘোষণা প্রদান করেছে। তারা এসব সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্ব কাছাকাছি অবস্থিত বিক্রয় কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বাল্ব নিয়ে যেতে বলেছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। কিন্তু সরকার চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনা। এক্ষেত্রে এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এতে চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সহজ হবে। তাছাড়া যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে তা দেশের কল-কারখানা বা উৎপাদন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে, যা পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করবে। এভাবে পণ্য উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে পারলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করবে। তাছাড়া বাংলাদেশের অধিকাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তাপ, কয়লা ও তেলভিত্তিক, যা পোড়ালে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। এই উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর দুই মেরুতে জমে থাকা বরফ গলতে থাকে। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যায়, যার নেতিবাচক প্রভাব আমাদের দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর পড়ে। এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে এসব ক্ষতি কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হবে। তাই বলা যায়, ট্রান্সটেক কোম্পানির গৃহীত পদক্ষেপটি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খুবই ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। এদিকটি বিবেচনা করে ট্রান্সটেক কোম্পানি বিনামূল্যে সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধ পরিবর্তন করে এনার্জি বাল্ব দেওয়ার ঘোষণা দিল। ঘোষণার পরই সকলে সাধারণ বাহু নিকটস্থ বায় বিক্রয় বিনিয়োগ কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বাল্ব সংগ্রহ করলেন।

Dinajpur · 2017

টেলি মার্কেটিং বলতে কি বুঝ?

উত্তর

টেলিমার্কেটিং হলো একটি প্রত্যক্ষ বিপণন ব্যবস্থা। প্রত্যক্ষ বিপণন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উৎপাদনকারী এবং ভোক্তার মাঝখানে কোনো মধ্যস্থব্যবসায়ী থাকে না। টেলিমার্কেটিং পদ্ধতিতে বিনা খরচে টেলিফোন কলের ব্যবস্থা রাখা হয়। এরূপ টেলিফোনকে বলা হয় নিঃখরচা টেলিফোন কল। গ্রাহকরা এরূপ নাম্বারে কল করে পণ্য সম্পর্কিত তথ্য জানতে পারে এবং অর্ডার দিতে পারে। তাই এক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতার সশরীরে উপস্থিত থাকা জরুরি নয়।
ট্রান্সটেক কোম্পানির কর্মসূচিটি কোন ধরনের মার্কেটিং? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ট্রান্সটেক কোম্পানির কর্মসূচিটি হলো গ্রিন মার্কেটিং।পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন ও বিপণন করাই গ্রিন মার্কেটিং-এর উদ্দেশ্য। গ্রিন মার্কেটিং-এ পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হয়। এর অন্যতম প্রয়োগ ক্ষেত্র হলো শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার। সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই ট্রান্সটেক কোম্পানি সাধারণ বান্ধের পরিবর্তে বিনামূল্যে এনার্জি বাল্ব সরবরাহের ঘোষণা দেয়। ফলে ক্রেতাদের কাছে যেসব সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্ব আছে সেগুলো তারা কাছাকাছি অবস্থিত বাল্ব বিক্রয় কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বান্ধ সংগ্রহ করে। ক্রেতারা এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এতে কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয় করেই চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে প্রকৃতির ওপর যে চাপ পড়ে, তা কমে আসবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত কয়লা, তেল, তাপ ইত্যাদির সাশ্রয় হবে যা গ্রিন মার্কেটিংয়ের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, ট্রান্সটেক কোম্পানি গ্রিন মার্কেটিং অনুসরণ করছে।
ট্রান্সটেক কোম্পানির নেওয়া উদ্যোগটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কতটুকু গুরত্বপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ট্রান্সটেক কোম্পানির গৃহীত উদ্যোগটি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খুবই ইতিবাচক এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গ্রিন মার্কেটিং -এ পরিবেশ দূষণ রোধ এবং পরিবেশের নিরাপত্তা বিধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। বর্তমান বৈশ্বিক উষ্ণতা বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় দেশসমূহের জন্য হুমকি স্বরূপ। গ্রিন মার্কেটিং এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে তুলনামূলক বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়। তাই ট্রান্সটেক কোম্পানি এসব বান্ধ ফেরত নিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এনার্জি বাল্ব দেয়ার ঘোষণা প্রদান করেছে। তারা এসব সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্ব কাছাকাছি অবস্থিত বিক্রয় কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বাল্ব নিয়ে যেতে বলেছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। কিন্তু সরকার চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনা। এক্ষেত্রে এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এতে চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সহজ হবে। তাছাড়া যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে তা দেশের কল-কারখানা বা উৎপাদন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে, যা পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করবে। এভাবে পণ্য উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে পারলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করবে। তাছাড়া বাংলাদেশের অধিকাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তাপ, কয়লা ও তেলভিত্তিক, যা পোড়ালে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। এই উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর দুই মেরুতে জমে থাকা বরফ গলতে থাকে। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যায়, যার নেতিবাচক প্রভাব আমাদের দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর পড়ে। এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে এসব ক্ষতি কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হবে। তাই বলা যায়, ট্রান্সটেক কোম্পানির গৃহীত পদক্ষেপটি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খুবই ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। এদিকটি বিবেচনা করে ট্রান্সটেক কোম্পানি বিনামূল্যে সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধ পরিবর্তন করে এনার্জি বাল্ব দেওয়ার ঘোষণা দিল। ঘোষণার পরই সকলে সাধারণ বাহু নিকটস্থ বায় বিক্রয় বিনিয়োগ কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বাল্ব সংগ্রহ করলেন।

Dinajpur · 2017

টেলি মার্কেটিং বলতে কি বুঝ?

উত্তর

টেলিমার্কেটিং হলো একটি প্রত্যক্ষ বিপণন ব্যবস্থা। প্রত্যক্ষ বিপণন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উৎপাদনকারী এবং ভোক্তার মাঝখানে কোনো মধ্যস্থব্যবসায়ী থাকে না। টেলিমার্কেটিং পদ্ধতিতে বিনা খরচে টেলিফোন কলের ব্যবস্থা রাখা হয়। এরূপ টেলিফোনকে বলা হয় নিঃখরচা টেলিফোন কল। গ্রাহকরা এরূপ নাম্বারে কল করে পণ্য সম্পর্কিত তথ্য জানতে পারে এবং অর্ডার দিতে পারে। তাই এক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতার সশরীরে উপস্থিত থাকা জরুরি নয়।
ট্রান্সটেক কোম্পানির কর্মসূচিটি কোন ধরনের মার্কেটিং? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ট্রান্সটেক কোম্পানির কর্মসূচিটি হলো গ্রিন মার্কেটিং।পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন ও বিপণন করাই গ্রিন মার্কেটিং-এর উদ্দেশ্য। গ্রিন মার্কেটিং-এ পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হয়। এর অন্যতম প্রয়োগ ক্ষেত্র হলো শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার। সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই ট্রান্সটেক কোম্পানি সাধারণ বান্ধের পরিবর্তে বিনামূল্যে এনার্জি বাল্ব সরবরাহের ঘোষণা দেয়। ফলে ক্রেতাদের কাছে যেসব সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্ব আছে সেগুলো তারা কাছাকাছি অবস্থিত বাল্ব বিক্রয় কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বান্ধ সংগ্রহ করে। ক্রেতারা এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এতে কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয় করেই চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে প্রকৃতির ওপর যে চাপ পড়ে, তা কমে আসবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত কয়লা, তেল, তাপ ইত্যাদির সাশ্রয় হবে যা গ্রিন মার্কেটিংয়ের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, ট্রান্সটেক কোম্পানি গ্রিন মার্কেটিং অনুসরণ করছে।
ট্রান্সটেক কোম্পানির নেওয়া উদ্যোগটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কতটুকু গুরত্বপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ট্রান্সটেক কোম্পানির গৃহীত উদ্যোগটি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খুবই ইতিবাচক এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গ্রিন মার্কেটিং -এ পরিবেশ দূষণ রোধ এবং পরিবেশের নিরাপত্তা বিধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। বর্তমান বৈশ্বিক উষ্ণতা বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় দেশসমূহের জন্য হুমকি স্বরূপ। গ্রিন মার্কেটিং এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। সাধারণ বৈদ্যুতিক বান্ধে তুলনামূলক বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়। তাই ট্রান্সটেক কোম্পানি এসব বান্ধ ফেরত নিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এনার্জি বাল্ব দেয়ার ঘোষণা প্রদান করেছে। তারা এসব সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্ব কাছাকাছি অবস্থিত বিক্রয় কেন্দ্রে জমা দিয়ে এনার্জি বাল্ব নিয়ে যেতে বলেছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। কিন্তু সরকার চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনা। এক্ষেত্রে এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এতে চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সহজ হবে। তাছাড়া যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে তা দেশের কল-কারখানা বা উৎপাদন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে, যা পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করবে। এভাবে পণ্য উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে পারলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করবে। তাছাড়া বাংলাদেশের অধিকাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তাপ, কয়লা ও তেলভিত্তিক, যা পোড়ালে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। এই উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর দুই মেরুতে জমে থাকা বরফ গলতে থাকে। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যায়, যার নেতিবাচক প্রভাব আমাদের দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর পড়ে। এনার্জি বাল্ব ব্যবহার করলে এসব ক্ষতি কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হবে। তাই বলা যায়, ট্রান্সটেক কোম্পানির গৃহীত পদক্ষেপটি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খুবই ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'তপু' একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সে পড়াশোনার পাশাপাশি একটি জীবন বীমা কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। পলিসি বিক্রি করার জন্য তাকে দিনের পর দিন সম্ভাব্য গ্রাহকের সাথে লেগে থাকতে হয়। গ্রাহকদের কথাবার্তা, অভিযোগ ঠান্ডা মাথায় সমাধান করতে হয়। পলিসির বিক্রি বাড়ানোর জন্য তপুর সফলতা দেখে কোম্পানিটি এখন আরও প্রতিনিধি নিয়োগের কথা ভাবছে।

Dinajpur · 2017

ব্যক্তিক বিক্রয় বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বিক্রেতা নিজে ক্রেতার সামনে উপস্থিত হয়ে পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের চেষ্টা করাই হলো ব্যক্তিক বিক্রয়। ব্যক্তিক বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতাকে সরাসরি পণ্য ক্রয়ের আহ্বান জানানো হয়। এর মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিক্রেতা সরাসরি ক্রেতাদের সামনে পণ্য ও সেবার গুণাগুণ তুলে ধরে। পণ্য সম্পর্কে বিক্রেতার মৌখিক উপস্থাপনায় আকৃষ্ট হয়ে ক্রেতারা পণ্য ক্রয় করে। ব্যক্তিক বিক্রয় হলো পণ্য ও সেবার মৌখিক উপস্থাপনা।
উদ্দীপকে বিক্রয় কর্মীর কোন গুণটির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বিক্রয়কর্মী তপুর মানবিক গুণাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিক্রয়কর্মীরা পণ্য বা সেবার প্রতি ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও গুণাবলির মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্রেতাকে প্রকৃত ক্রেতায় পরিণত করে। বিক্রয়কর্মীর বিভিন্ন গুণের মধ্যে মানবিক গুণাবলি অন্যতম। তপু একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি সে একটি জীবন বিমা কোম্পানিতে কাজ করে। পলিসি বিক্রয়ের জন্য তাকে দিনের পর দিন সম্ভাব্য গ্রাহকদের পেছনে লেগে থাকতে হয়। তাই তাকে অত্যন্ত ধৈর্যশীল এবং অধ্যবসায়ী হতে হয়। তাকে গ্রাহকদের কথাবার্তা ও অভিযোগ ঠান্ডা মাথায় শুনতে হয়। তারপর ধৈর্যসহকারে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হয়, যা উৎসাহ ও আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ। ধৈর্যশীলতা, অধ্যবসায়, উৎসাহ ও আন্তরিকতা হলো বিক্রয়কর্মীর মানবিক গুণাবলির উপাদান। তাই বলা যায়, তপুর মানবিক গুণাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
পলিসি বিক্রি বাড়ানোর জন্য উদ্দীপকের কোম্পানির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

পলিসির বিক্রয় বাড়ানোর জন্য জীবন বিমা কোম্পানির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনাটি যৌক্তিক। সাধারণত বিমা প্রতিষ্ঠানগুলো পলিসি বিক্রয়ের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। পলিসি সংক্রান্ত জটিল জ্ঞান ও তথ্যসমূহ সাধারণ জনগণের থাকে না। এক্ষেত্রে বিক্রয়কর্মীরা সম্ভাব্য গ্রাহকের কাছে তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে পলিসি বিক্রয়ের চেষ্টা করে। তপু একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং সফল বিক্রয়কর্মী। সে একটি জীবন বিমা কোম্পানিতে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। তার মানবিক গুণাবলির কারণে সে সফলতা পেয়েছে। তাই কোম্পানিটি পলিসির বিক্রয় বাড়ানোর জন্য তপুর মতো আরও কিছু প্রতিনিধি নিয়োগের কথা ভাবছে। তপুর মতো তরুণ যুবকেরা বিক্রয়কর্মীর পেশার জন্য আদর্শ। জীবন বিমা সম্পর্কে আমাদের দেশের সাধারণ জনগণের তেমন কোনো ধারণা নেই। তপুর মতো আদর্শ বিক্রয়কর্মীরা সহজে গ্রাহককে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে পারবে, যা তাদের পলিসি গ্রহণে উৎসাহী করে তুলবে। এর ফলে উদ্দীপকের জীবন বিমা প্রতিষ্ঠানটির পলিসি বিক্রয় ও মুনাফা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই বলা যায়, কোম্পানিটির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনাটি যৌক্তিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'তপু' একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সে পড়াশোনার পাশাপাশি একটি জীবন বীমা কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। পলিসি বিক্রি করার জন্য তাকে দিনের পর দিন সম্ভাব্য গ্রাহকের সাথে লেগে থাকতে হয়। গ্রাহকদের কথাবার্তা, অভিযোগ ঠান্ডা মাথায় সমাধান করতে হয়। পলিসির বিক্রি বাড়ানোর জন্য তপুর সফলতা দেখে কোম্পানিটি এখন আরও প্রতিনিধি নিয়োগের কথা ভাবছে।

Dinajpur · 2017

ব্যক্তিক বিক্রয় বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বিক্রেতা নিজে ক্রেতার সামনে উপস্থিত হয়ে পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের চেষ্টা করাই হলো ব্যক্তিক বিক্রয়। ব্যক্তিক বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতাকে সরাসরি পণ্য ক্রয়ের আহ্বান জানানো হয়। এর মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিক্রেতা সরাসরি ক্রেতাদের সামনে পণ্য ও সেবার গুণাগুণ তুলে ধরে। পণ্য সম্পর্কে বিক্রেতার মৌখিক উপস্থাপনায় আকৃষ্ট হয়ে ক্রেতারা পণ্য ক্রয় করে। ব্যক্তিক বিক্রয় হলো পণ্য ও সেবার মৌখিক উপস্থাপনা।
উদ্দীপকে বিক্রয় কর্মীর কোন গুণটির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বিক্রয়কর্মী তপুর মানবিক গুণাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিক্রয়কর্মীরা পণ্য বা সেবার প্রতি ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও গুণাবলির মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্রেতাকে প্রকৃত ক্রেতায় পরিণত করে। বিক্রয়কর্মীর বিভিন্ন গুণের মধ্যে মানবিক গুণাবলি অন্যতম। তপু একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি সে একটি জীবন বিমা কোম্পানিতে কাজ করে। পলিসি বিক্রয়ের জন্য তাকে দিনের পর দিন সম্ভাব্য গ্রাহকদের পেছনে লেগে থাকতে হয়। তাই তাকে অত্যন্ত ধৈর্যশীল এবং অধ্যবসায়ী হতে হয়। তাকে গ্রাহকদের কথাবার্তা ও অভিযোগ ঠান্ডা মাথায় শুনতে হয়। তারপর ধৈর্যসহকারে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হয়, যা উৎসাহ ও আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ। ধৈর্যশীলতা, অধ্যবসায়, উৎসাহ ও আন্তরিকতা হলো বিক্রয়কর্মীর মানবিক গুণাবলির উপাদান। তাই বলা যায়, তপুর মানবিক গুণাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
পলিসি বিক্রি বাড়ানোর জন্য উদ্দীপকের কোম্পানির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

পলিসির বিক্রয় বাড়ানোর জন্য জীবন বিমা কোম্পানির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনাটি যৌক্তিক। সাধারণত বিমা প্রতিষ্ঠানগুলো পলিসি বিক্রয়ের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। পলিসি সংক্রান্ত জটিল জ্ঞান ও তথ্যসমূহ সাধারণ জনগণের থাকে না। এক্ষেত্রে বিক্রয়কর্মীরা সম্ভাব্য গ্রাহকের কাছে তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে পলিসি বিক্রয়ের চেষ্টা করে। তপু একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং সফল বিক্রয়কর্মী। সে একটি জীবন বিমা কোম্পানিতে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। তার মানবিক গুণাবলির কারণে সে সফলতা পেয়েছে। তাই কোম্পানিটি পলিসির বিক্রয় বাড়ানোর জন্য তপুর মতো আরও কিছু প্রতিনিধি নিয়োগের কথা ভাবছে। তপুর মতো তরুণ যুবকেরা বিক্রয়কর্মীর পেশার জন্য আদর্শ। জীবন বিমা সম্পর্কে আমাদের দেশের সাধারণ জনগণের তেমন কোনো ধারণা নেই। তপুর মতো আদর্শ বিক্রয়কর্মীরা সহজে গ্রাহককে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে পারবে, যা তাদের পলিসি গ্রহণে উৎসাহী করে তুলবে। এর ফলে উদ্দীপকের জীবন বিমা প্রতিষ্ঠানটির পলিসি বিক্রয় ও মুনাফা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই বলা যায়, কোম্পানিটির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনাটি যৌক্তিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'তপু' একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সে পড়াশোনার পাশাপাশি একটি জীবন বীমা কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। পলিসি বিক্রি করার জন্য তাকে দিনের পর দিন সম্ভাব্য গ্রাহকের সাথে লেগে থাকতে হয়। গ্রাহকদের কথাবার্তা, অভিযোগ ঠান্ডা মাথায় সমাধান করতে হয়। পলিসির বিক্রি বাড়ানোর জন্য তপুর সফলতা দেখে কোম্পানিটি এখন আরও প্রতিনিধি নিয়োগের কথা ভাবছে।

Dinajpur · 2017

ব্যক্তিক বিক্রয় বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বিক্রেতা নিজে ক্রেতার সামনে উপস্থিত হয়ে পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের চেষ্টা করাই হলো ব্যক্তিক বিক্রয়। ব্যক্তিক বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতাকে সরাসরি পণ্য ক্রয়ের আহ্বান জানানো হয়। এর মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিক্রেতা সরাসরি ক্রেতাদের সামনে পণ্য ও সেবার গুণাগুণ তুলে ধরে। পণ্য সম্পর্কে বিক্রেতার মৌখিক উপস্থাপনায় আকৃষ্ট হয়ে ক্রেতারা পণ্য ক্রয় করে। ব্যক্তিক বিক্রয় হলো পণ্য ও সেবার মৌখিক উপস্থাপনা।
উদ্দীপকে বিক্রয় কর্মীর কোন গুণটির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বিক্রয়কর্মী তপুর মানবিক গুণাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিক্রয়কর্মীরা পণ্য বা সেবার প্রতি ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও গুণাবলির মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্রেতাকে প্রকৃত ক্রেতায় পরিণত করে। বিক্রয়কর্মীর বিভিন্ন গুণের মধ্যে মানবিক গুণাবলি অন্যতম। তপু একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি সে একটি জীবন বিমা কোম্পানিতে কাজ করে। পলিসি বিক্রয়ের জন্য তাকে দিনের পর দিন সম্ভাব্য গ্রাহকদের পেছনে লেগে থাকতে হয়। তাই তাকে অত্যন্ত ধৈর্যশীল এবং অধ্যবসায়ী হতে হয়। তাকে গ্রাহকদের কথাবার্তা ও অভিযোগ ঠান্ডা মাথায় শুনতে হয়। তারপর ধৈর্যসহকারে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হয়, যা উৎসাহ ও আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ। ধৈর্যশীলতা, অধ্যবসায়, উৎসাহ ও আন্তরিকতা হলো বিক্রয়কর্মীর মানবিক গুণাবলির উপাদান। তাই বলা যায়, তপুর মানবিক গুণাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
পলিসি বিক্রি বাড়ানোর জন্য উদ্দীপকের কোম্পানির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

পলিসির বিক্রয় বাড়ানোর জন্য জীবন বিমা কোম্পানির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনাটি যৌক্তিক। সাধারণত বিমা প্রতিষ্ঠানগুলো পলিসি বিক্রয়ের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। পলিসি সংক্রান্ত জটিল জ্ঞান ও তথ্যসমূহ সাধারণ জনগণের থাকে না। এক্ষেত্রে বিক্রয়কর্মীরা সম্ভাব্য গ্রাহকের কাছে তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে পলিসি বিক্রয়ের চেষ্টা করে। তপু একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং সফল বিক্রয়কর্মী। সে একটি জীবন বিমা কোম্পানিতে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। তার মানবিক গুণাবলির কারণে সে সফলতা পেয়েছে। তাই কোম্পানিটি পলিসির বিক্রয় বাড়ানোর জন্য তপুর মতো আরও কিছু প্রতিনিধি নিয়োগের কথা ভাবছে। তপুর মতো তরুণ যুবকেরা বিক্রয়কর্মীর পেশার জন্য আদর্শ। জীবন বিমা সম্পর্কে আমাদের দেশের সাধারণ জনগণের তেমন কোনো ধারণা নেই। তপুর মতো আদর্শ বিক্রয়কর্মীরা সহজে গ্রাহককে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে পারবে, যা তাদের পলিসি গ্রহণে উৎসাহী করে তুলবে। এর ফলে উদ্দীপকের জীবন বিমা প্রতিষ্ঠানটির পলিসি বিক্রয় ও মুনাফা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই বলা যায়, কোম্পানিটির আরও প্রতিনিধি নিয়োগের ভাবনাটি যৌক্তিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

"আজিক ফুডস" সারা বাংলাদেশে টিফিন কেক বিপণন করে। এটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের জন্য ৫টি কেক কিনলে ১টি ফ্রি দিয়ে থাকে। তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে "আজিম ফুডস" মুনাফা অর্জন করতে পারছে না। "আজিম ফুডস" কর্তৃপক্ষ এখন বিজ্ঞাপন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Dinajpur · 2017

প্রত্যক্ষ বিপণন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

প্রত্যক্ষ বিপণন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে লক্ষ্যস্থিত ভোক্তাদের প্রত্যেকের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য ও সেবাসামগ্রী বিক্রয়ের প্রচেষ্টা চালানো হয়।প্রত্যক্ষ বিপণনে সম্ভাব্য ক্রেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য বা সেবাসামগ্রীর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে অর্ডার প্রদানের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। এ ধরনের বিপণনে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি বিক্রয় প্রচেষ্টা চালানো হয়। ভোক্তাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি যোগাযোগ করে বিক্রয় প্রচেষ্টা চালানো হয় বলে এটি সহজ ও ব্যক্তিগত।
৫টির সাথে ১টি টিফিন কেক ফ্রি দেয়া কোন ধরনের বিক্রয় প্রসার হাতিয়ার? বর্ণনা করো।

উত্তর

'আজিম ফুডস' টিফিন কেক ৫টির সাথে ১টি ফ্রি দিয়ে বিক্রয় প্রসারের পৃষ্ঠপোষক পুরস্কার হাতিয়ারটি ব্যবহার করেছে। পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য বিক্রয় প্রসার কার্যক্রমের আওতায় অনেকগুলো স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ভোক্তা, মধ্যস্থকারবারি ও বিক্রয়কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে আলাদা হাতিয়ার ব্যবহার করা হয়। 'আজিম ফুডস' সারাদেশে টিফিন কেক বাজারজাতকরণ করে। এটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের ৫টি কেক কিনলে ১টি কেক ফ্রি দিয়েছে। এক্ষেত্রে পণ্য বা সেবা নগদ গ্রহণকারীদেরকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য এরূপ পুরস্কার প্রদান করা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সুতরাং বলা যায়, ৫টি কেক কিনলে একটি কেক ফ্রি হলো পৃষ্ঠপোষক পুরস্কার, যা ক্রেতাকে পণ্য ক্রয়ে উৎসাহিত করে।
তুমি কি মনে কর, বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

আমি মনে করি বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক। পণ্য বা সেবা ক্রয়ে ক্রেতাদের আগ্রহী করার একটি মাধ্যম হলো বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপন একটি অর্থপ্রদত্ত মাধ্যম যেখানে পণ্য বা সেবার নৈর্ব্যক্তিক উপস্থাপনা করা হয়। বিজ্ঞাপন উৎপাদনকারী ও ভোক্তাদের কল্যাণে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।'আজিম ফুড' সারা বাংলাদেশে টিফিন কেক বিপণন করে। প্রতিষ্ঠানটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের ৫টি কেক কিনলে ১টি কেক ফ্রি দিয়ে থাকে। কিন্তু প্রতিযোগিতা বেশি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা অর্জন করতে পারছে না। তাই আজিম ফুড বিজ্ঞাপন প্রদানের কথা ভাবছে।'আজিম ফুডস' বিজ্ঞাপন প্রদান করলে সারা দেশের ক্রেতারা তাদের কেক সম্পর্কে জানতে পারবে। তখন প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের পণ্যের সাথে তুলনা করে ক্রেতারা ভালো পণ্যটি গ্রহণ করবে। 'আজিম ফুড' এর পণ্য মান যদি ভালো হয় ক্রেতারা তা ক্রয়ে সংকোচ বোধ করবে না। এতে আজিম ফুডস-এর বিক্রয় ও মুনাফা বাড়বে এবং প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রয় ও মুনাফা কমবে। তাই আমি মনে করি বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

"আজিক ফুডস" সারা বাংলাদেশে টিফিন কেক বিপণন করে। এটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের জন্য ৫টি কেক কিনলে ১টি ফ্রি দিয়ে থাকে। তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে "আজিম ফুডস" মুনাফা অর্জন করতে পারছে না। "আজিম ফুডস" কর্তৃপক্ষ এখন বিজ্ঞাপন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Dinajpur · 2017

প্রত্যক্ষ বিপণন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

প্রত্যক্ষ বিপণন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে লক্ষ্যস্থিত ভোক্তাদের প্রত্যেকের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য ও সেবাসামগ্রী বিক্রয়ের প্রচেষ্টা চালানো হয়।প্রত্যক্ষ বিপণনে সম্ভাব্য ক্রেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য বা সেবাসামগ্রীর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে অর্ডার প্রদানের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। এ ধরনের বিপণনে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি বিক্রয় প্রচেষ্টা চালানো হয়। ভোক্তাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি যোগাযোগ করে বিক্রয় প্রচেষ্টা চালানো হয় বলে এটি সহজ ও ব্যক্তিগত।
৫টির সাথে ১টি টিফিন কেক ফ্রি দেয়া কোন ধরনের বিক্রয় প্রসার হাতিয়ার? বর্ণনা করো।

উত্তর

'আজিম ফুডস' টিফিন কেক ৫টির সাথে ১টি ফ্রি দিয়ে বিক্রয় প্রসারের পৃষ্ঠপোষক পুরস্কার হাতিয়ারটি ব্যবহার করেছে। পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য বিক্রয় প্রসার কার্যক্রমের আওতায় অনেকগুলো স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ভোক্তা, মধ্যস্থকারবারি ও বিক্রয়কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে আলাদা হাতিয়ার ব্যবহার করা হয়। 'আজিম ফুডস' সারাদেশে টিফিন কেক বাজারজাতকরণ করে। এটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের ৫টি কেক কিনলে ১টি কেক ফ্রি দিয়েছে। এক্ষেত্রে পণ্য বা সেবা নগদ গ্রহণকারীদেরকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য এরূপ পুরস্কার প্রদান করা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সুতরাং বলা যায়, ৫টি কেক কিনলে একটি কেক ফ্রি হলো পৃষ্ঠপোষক পুরস্কার, যা ক্রেতাকে পণ্য ক্রয়ে উৎসাহিত করে।
তুমি কি মনে কর, বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

আমি মনে করি বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক। পণ্য বা সেবা ক্রয়ে ক্রেতাদের আগ্রহী করার একটি মাধ্যম হলো বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপন একটি অর্থপ্রদত্ত মাধ্যম যেখানে পণ্য বা সেবার নৈর্ব্যক্তিক উপস্থাপনা করা হয়। বিজ্ঞাপন উৎপাদনকারী ও ভোক্তাদের কল্যাণে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।'আজিম ফুড' সারা বাংলাদেশে টিফিন কেক বিপণন করে। প্রতিষ্ঠানটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের ৫টি কেক কিনলে ১টি কেক ফ্রি দিয়ে থাকে। কিন্তু প্রতিযোগিতা বেশি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা অর্জন করতে পারছে না। তাই আজিম ফুড বিজ্ঞাপন প্রদানের কথা ভাবছে।'আজিম ফুডস' বিজ্ঞাপন প্রদান করলে সারা দেশের ক্রেতারা তাদের কেক সম্পর্কে জানতে পারবে। তখন প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের পণ্যের সাথে তুলনা করে ক্রেতারা ভালো পণ্যটি গ্রহণ করবে। 'আজিম ফুড' এর পণ্য মান যদি ভালো হয় ক্রেতারা তা ক্রয়ে সংকোচ বোধ করবে না। এতে আজিম ফুডস-এর বিক্রয় ও মুনাফা বাড়বে এবং প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রয় ও মুনাফা কমবে। তাই আমি মনে করি বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

"আজিক ফুডস" সারা বাংলাদেশে টিফিন কেক বিপণন করে। এটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের জন্য ৫টি কেক কিনলে ১টি ফ্রি দিয়ে থাকে। তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে "আজিম ফুডস" মুনাফা অর্জন করতে পারছে না। "আজিম ফুডস" কর্তৃপক্ষ এখন বিজ্ঞাপন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Dinajpur · 2017

প্রত্যক্ষ বিপণন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

প্রত্যক্ষ বিপণন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে লক্ষ্যস্থিত ভোক্তাদের প্রত্যেকের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য ও সেবাসামগ্রী বিক্রয়ের প্রচেষ্টা চালানো হয়।প্রত্যক্ষ বিপণনে সম্ভাব্য ক্রেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য বা সেবাসামগ্রীর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে অর্ডার প্রদানের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। এ ধরনের বিপণনে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি বিক্রয় প্রচেষ্টা চালানো হয়। ভোক্তাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি যোগাযোগ করে বিক্রয় প্রচেষ্টা চালানো হয় বলে এটি সহজ ও ব্যক্তিগত।
৫টির সাথে ১টি টিফিন কেক ফ্রি দেয়া কোন ধরনের বিক্রয় প্রসার হাতিয়ার? বর্ণনা করো।

উত্তর

'আজিম ফুডস' টিফিন কেক ৫টির সাথে ১টি ফ্রি দিয়ে বিক্রয় প্রসারের পৃষ্ঠপোষক পুরস্কার হাতিয়ারটি ব্যবহার করেছে। পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য বিক্রয় প্রসার কার্যক্রমের আওতায় অনেকগুলো স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ভোক্তা, মধ্যস্থকারবারি ও বিক্রয়কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে আলাদা হাতিয়ার ব্যবহার করা হয়। 'আজিম ফুডস' সারাদেশে টিফিন কেক বাজারজাতকরণ করে। এটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের ৫টি কেক কিনলে ১টি কেক ফ্রি দিয়েছে। এক্ষেত্রে পণ্য বা সেবা নগদ গ্রহণকারীদেরকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য এরূপ পুরস্কার প্রদান করা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সুতরাং বলা যায়, ৫টি কেক কিনলে একটি কেক ফ্রি হলো পৃষ্ঠপোষক পুরস্কার, যা ক্রেতাকে পণ্য ক্রয়ে উৎসাহিত করে।
তুমি কি মনে কর, বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

আমি মনে করি বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক। পণ্য বা সেবা ক্রয়ে ক্রেতাদের আগ্রহী করার একটি মাধ্যম হলো বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপন একটি অর্থপ্রদত্ত মাধ্যম যেখানে পণ্য বা সেবার নৈর্ব্যক্তিক উপস্থাপনা করা হয়। বিজ্ঞাপন উৎপাদনকারী ও ভোক্তাদের কল্যাণে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।'আজিম ফুড' সারা বাংলাদেশে টিফিন কেক বিপণন করে। প্রতিষ্ঠানটি চূড়ান্ত ভোক্তাদের ৫টি কেক কিনলে ১টি কেক ফ্রি দিয়ে থাকে। কিন্তু প্রতিযোগিতা বেশি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা অর্জন করতে পারছে না। তাই আজিম ফুড বিজ্ঞাপন প্রদানের কথা ভাবছে।'আজিম ফুডস' বিজ্ঞাপন প্রদান করলে সারা দেশের ক্রেতারা তাদের কেক সম্পর্কে জানতে পারবে। তখন প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের পণ্যের সাথে তুলনা করে ক্রেতারা ভালো পণ্যটি গ্রহণ করবে। 'আজিম ফুড' এর পণ্য মান যদি ভালো হয় ক্রেতারা তা ক্রয়ে সংকোচ বোধ করবে না। এতে আজিম ফুডস-এর বিক্রয় ও মুনাফা বাড়বে এবং প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রয় ও মুনাফা কমবে। তাই আমি মনে করি বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় সহায়ক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব আবুল হোসেন একজন গার্মেন্টস পণ্য বিক্রেতা। তার দোকানটি ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত। তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলায় গার্মেন্টস পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। এতে গার্মেন্টস পণ্যের চাহিদা বাড়ায় তিনি বগুড়ায় একটি নতুন শাখা স্থাপন করেন।

Dinajpur · 2017

পাইকারি ব্যবসায় বলতে কি বোঝ?

উত্তর

উৎপাদক বা আমদানিকারকের কাছ থেকে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ী বা শিল্পীয় ব্যবহারকারীদের কাছে বিক্রয় সংক্রান্ত কার্যাবলিকে পাইকারি ব্যবসায় বলে।পাইকাররা সাধারণত দুই-এক ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যবসায় পরিচালনা করে। যেমন: কাপড়, কাগজ, মসলা, চাল, ভোজ্য তেল প্রভৃতি। এদের নিকট বিভিন্ন ধরনের পণ্য সম্ভার থাকে না। তবে এরা সবসময় অধিক পরিমাণে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় কার্যে লিপ্ত থাকে। এরা উৎপাদনকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ রক্ষার কাজ করে।
জনাব আবুল হোসেনের কি কি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

জনাব আবুল হোসেনের মধ্যে পাইকারি ব্যবসায়ীর বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ করা যায়। পাইকারি ব্যবসায়ীরা উৎপাদনকারীর কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করে। এরা উৎপাদনকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেতুবন্ধন স্থাপন করে। গার্মেন্টস পণ্যের বিপণনের ক্ষেত্রে পাইকারি ব্যবসায়ী খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনাব আবুল হোসেন গার্মেন্টস পণ্যের বিক্রেতা। ঢাকার গুলিস্তানে তার দোকান রয়েছে। এ দোকান থেকে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পণ্য সরবরাহ করেন। অর্থাৎ তিনি গার্মেন্টস পণ্য উৎপাদনকারীর কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করেন। এ কার্যক্রম সাধারণত পাইকারি ব্যবসায়ীরা সম্পাদন করে। তাই বলা যায়, জনাব আবুল হোসেনের মধ্যে পাইকারি ব্যবসায়ীর বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ করা যায়।
জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলার সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর

জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলার বিষয়টি খুবই যৌক্তিক। সাধারণত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে অল্প পরিসরে গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বাজার পরিস্থিতি, সম্ভাবনা, সুযোগ প্রভৃতি ইতিবাচক হলে তা সম্প্রসারিত করা হয়। ব্যবসায় সম্প্রসারণ বিক্রয় ও মুনাফা বৃদ্ধির অন্যতম পূর্বশর্ত। জনাব আবুল হোসেন গার্মেন্টস পণ্যের বিক্রেতা। ঢাকার গুলিস্তানে তার একটি পাইকারি দোকান রয়েছে। তিনি ঢাকাসহ সারা দেশের জেলা ও উপজেলায় পণ্য সরবরাহ করেন। গার্মেন্টস পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি বগুড়ায় একটি নতুন শাখা স্থাপন করেন।চাহিদা বেশি থাকায় জনাব আবুল হোসেন পক্ষে একটি দোকানের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা বেশ কষ্টসাধ্য। এতে ক্রেতারা সময়মতো পণ্য না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নতুন শাখাটি স্থাপনের ফলে গুলিস্তানের শাখাটির ওপর চাপ কমবে। বগুড়ায় নতুন শাখা স্থাপন করায় পার্শ্ববর্তী জেলা উপজেলার ব্যবসায়ীরা সহজে এবং কম সময় ব্যয় করে পণ্য ক্রয় করতে পারবে। তাই বলা যায়, জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলা যৌক্তিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব আবুল হোসেন একজন গার্মেন্টস পণ্য বিক্রেতা। তার দোকানটি ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত। তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলায় গার্মেন্টস পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। এতে গার্মেন্টস পণ্যের চাহিদা বাড়ায় তিনি বগুড়ায় একটি নতুন শাখা স্থাপন করেন।

Dinajpur · 2017

পাইকারি ব্যবসায় বলতে কি বোঝ?

উত্তর

উৎপাদক বা আমদানিকারকের কাছ থেকে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ী বা শিল্পীয় ব্যবহারকারীদের কাছে বিক্রয় সংক্রান্ত কার্যাবলিকে পাইকারি ব্যবসায় বলে।পাইকাররা সাধারণত দুই-এক ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যবসায় পরিচালনা করে। যেমন: কাপড়, কাগজ, মসলা, চাল, ভোজ্য তেল প্রভৃতি। এদের নিকট বিভিন্ন ধরনের পণ্য সম্ভার থাকে না। তবে এরা সবসময় অধিক পরিমাণে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় কার্যে লিপ্ত থাকে। এরা উৎপাদনকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ রক্ষার কাজ করে।
জনাব আবুল হোসেনের কি কি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

জনাব আবুল হোসেনের মধ্যে পাইকারি ব্যবসায়ীর বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ করা যায়। পাইকারি ব্যবসায়ীরা উৎপাদনকারীর কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করে। এরা উৎপাদনকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেতুবন্ধন স্থাপন করে। গার্মেন্টস পণ্যের বিপণনের ক্ষেত্রে পাইকারি ব্যবসায়ী খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনাব আবুল হোসেন গার্মেন্টস পণ্যের বিক্রেতা। ঢাকার গুলিস্তানে তার দোকান রয়েছে। এ দোকান থেকে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পণ্য সরবরাহ করেন। অর্থাৎ তিনি গার্মেন্টস পণ্য উৎপাদনকারীর কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করেন। এ কার্যক্রম সাধারণত পাইকারি ব্যবসায়ীরা সম্পাদন করে। তাই বলা যায়, জনাব আবুল হোসেনের মধ্যে পাইকারি ব্যবসায়ীর বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ করা যায়।
জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলার সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর

জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলার বিষয়টি খুবই যৌক্তিক। সাধারণত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে অল্প পরিসরে গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বাজার পরিস্থিতি, সম্ভাবনা, সুযোগ প্রভৃতি ইতিবাচক হলে তা সম্প্রসারিত করা হয়। ব্যবসায় সম্প্রসারণ বিক্রয় ও মুনাফা বৃদ্ধির অন্যতম পূর্বশর্ত। জনাব আবুল হোসেন গার্মেন্টস পণ্যের বিক্রেতা। ঢাকার গুলিস্তানে তার একটি পাইকারি দোকান রয়েছে। তিনি ঢাকাসহ সারা দেশের জেলা ও উপজেলায় পণ্য সরবরাহ করেন। গার্মেন্টস পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি বগুড়ায় একটি নতুন শাখা স্থাপন করেন।চাহিদা বেশি থাকায় জনাব আবুল হোসেন পক্ষে একটি দোকানের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা বেশ কষ্টসাধ্য। এতে ক্রেতারা সময়মতো পণ্য না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নতুন শাখাটি স্থাপনের ফলে গুলিস্তানের শাখাটির ওপর চাপ কমবে। বগুড়ায় নতুন শাখা স্থাপন করায় পার্শ্ববর্তী জেলা উপজেলার ব্যবসায়ীরা সহজে এবং কম সময় ব্যয় করে পণ্য ক্রয় করতে পারবে। তাই বলা যায়, জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলা যৌক্তিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCMarketing 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব আবুল হোসেন একজন গার্মেন্টস পণ্য বিক্রেতা। তার দোকানটি ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত। তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলায় গার্মেন্টস পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। এতে গার্মেন্টস পণ্যের চাহিদা বাড়ায় তিনি বগুড়ায় একটি নতুন শাখা স্থাপন করেন।

Dinajpur · 2017

পাইকারি ব্যবসায় বলতে কি বোঝ?

উত্তর

উৎপাদক বা আমদানিকারকের কাছ থেকে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ী বা শিল্পীয় ব্যবহারকারীদের কাছে বিক্রয় সংক্রান্ত কার্যাবলিকে পাইকারি ব্যবসায় বলে।পাইকাররা সাধারণত দুই-এক ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যবসায় পরিচালনা করে। যেমন: কাপড়, কাগজ, মসলা, চাল, ভোজ্য তেল প্রভৃতি। এদের নিকট বিভিন্ন ধরনের পণ্য সম্ভার থাকে না। তবে এরা সবসময় অধিক পরিমাণে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় কার্যে লিপ্ত থাকে। এরা উৎপাদনকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ রক্ষার কাজ করে।
জনাব আবুল হোসেনের কি কি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

জনাব আবুল হোসেনের মধ্যে পাইকারি ব্যবসায়ীর বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ করা যায়। পাইকারি ব্যবসায়ীরা উৎপাদনকারীর কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করে। এরা উৎপাদনকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেতুবন্ধন স্থাপন করে। গার্মেন্টস পণ্যের বিপণনের ক্ষেত্রে পাইকারি ব্যবসায়ী খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনাব আবুল হোসেন গার্মেন্টস পণ্যের বিক্রেতা। ঢাকার গুলিস্তানে তার দোকান রয়েছে। এ দোকান থেকে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পণ্য সরবরাহ করেন। অর্থাৎ তিনি গার্মেন্টস পণ্য উৎপাদনকারীর কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করেন। এ কার্যক্রম সাধারণত পাইকারি ব্যবসায়ীরা সম্পাদন করে। তাই বলা যায়, জনাব আবুল হোসেনের মধ্যে পাইকারি ব্যবসায়ীর বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ করা যায়।
জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলার সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর

জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলার বিষয়টি খুবই যৌক্তিক। সাধারণত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে অল্প পরিসরে গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বাজার পরিস্থিতি, সম্ভাবনা, সুযোগ প্রভৃতি ইতিবাচক হলে তা সম্প্রসারিত করা হয়। ব্যবসায় সম্প্রসারণ বিক্রয় ও মুনাফা বৃদ্ধির অন্যতম পূর্বশর্ত। জনাব আবুল হোসেন গার্মেন্টস পণ্যের বিক্রেতা। ঢাকার গুলিস্তানে তার একটি পাইকারি দোকান রয়েছে। তিনি ঢাকাসহ সারা দেশের জেলা ও উপজেলায় পণ্য সরবরাহ করেন। গার্মেন্টস পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি বগুড়ায় একটি নতুন শাখা স্থাপন করেন।চাহিদা বেশি থাকায় জনাব আবুল হোসেন পক্ষে একটি দোকানের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা বেশ কষ্টসাধ্য। এতে ক্রেতারা সময়মতো পণ্য না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নতুন শাখাটি স্থাপনের ফলে গুলিস্তানের শাখাটির ওপর চাপ কমবে। বগুড়ায় নতুন শাখা স্থাপন করায় পার্শ্ববর্তী জেলা উপজেলার ব্যবসায়ীরা সহজে এবং কম সময় ব্যয় করে পণ্য ক্রয় করতে পারবে। তাই বলা যায়, জনাব আবুল হোসেনের নতুন শাখা খোলা যৌক্তিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

সাধারণ প্রশ্ন

Marketing 2nd Paper MCQ কোথায় পাবো?

এই পেজের অধ্যায় লিংক বা সাম্প্রতিক প্রশ্ন থেকে Marketing 2nd Paper MCQ সমাধানসহ দেখতে পারবে।