'নূর গার্মেন্টস' পোশাক বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ভোক্তাবাজার বিভক্তিকরণের মনস্তাত্ত্বিক বিভক্তিকরণের সামাজিক শ্রেণি চলকটি ব্যবহার করেছেন।
কোনো একটি জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন ব্যক্তির মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্যের ভিত্তিতে বাজারকে ভাগ করা হলে তাকে মনস্তাত্ত্বিক বিভক্তিকরণ বলে। যেমন : সামাজিক শ্রেণি, জীবনধারণ পদ্ধতি, ব্যক্তিত্ব, মূল্যবোধ ইত্যাদির ভিত্তিতে ভাগ করা। এক্ষেত্রে সমাজের উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ইত্যাদি শ্রেণিতে বিভক্ত করা সামাজিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকের 'নূর গার্মেন্টস' একটি নামকরা তৈরি পোশাক বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান। তারা শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি ও পায়জামা বিক্রয় করে। প্রতিষ্ঠানটি সমাজের উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন দামের পোশাক বিক্রয় করে। ফলে প্রতিষ্ঠানটি খুব কম সময়ের মধ্যে সফলতা লাভ করে।
একটি সমাজে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বসবাস করে থাকে। বিভিন্ন মানুষের আয় ব্যয় মানসিকতা ও ব্যক্তিত্ব একেক রকম। পন্য বিপণন করার সময় একজন ব্যবসায়ীকে ভোক্তার এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হয়। ক্রেতার এই সমস্ত বিষয়গুলো নিয়ে না ভাবলে সব ধরনের ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রয় করা সম্ভব হবে না। সব ধরনের ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রয় করতে চাইলে অবশ্যই তাদের অবস্থানের কথা চিন্তা করে বিপণন করতে হবে।
উদ্দীপকের নূর গার্মেন্টসও তাই সমাজের উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন দামের পোশাক বাজারে বিক্রয় করে। এতে সকল শ্রেণীর ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা ও ক্রয়ের ইচ্ছা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানেরও উন্নতি সাধিত হয় এবং বিক্রি বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকের 'নূর গার্মেন্টস' এর পোশাক বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভোক্তাবাজার বিভক্তিকরণের মনস্তাত্ত্বিক বিভক্তিকরণের সামাজিক শ্রেণি চলকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।