উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানগুলো ভোক্তাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। ভোক্তার সন্তুষ্টি বিধানে যা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
যারা পণ্য ভোগ বা ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্যের উপযোগ নিঃশেষ করে তাদেরকে ভোক্তা বলে। আবার বিপণন মিশ্রণ হচ্ছে ভোক্তা বা ক্রেতার প্রয়োজন ও অভাব মেটানোর উদ্দেশ্যে একসেট নিয়ন্ত্রণযোগ্য উপাদানের সংমিশ্রণ। উক্ত সংমিশ্রণ প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করে বিপণনকারী ভোক্তার সন্তুষ্টি অর্জনের প্রয়াস চালায়।
উদ্দীপকে বিপণন মিশ্রণের চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। উক্ত চিত্রের চারটি উপাদান (পণ্য, মূল্য, বণ্টন ও প্রসার) এর সংমিশ্রণ ভোক্তাকে কেন্দ্র করেই সম্পাদিত হয়। কেননা পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, মূল্য নির্ধারণ, বণ্টন ও প্রসার কার্যক্রম ভোক্তাকে সন্তুষ্ট করার জন্যই সম্পাদিত হয়। তাই বলা যায়, ভোক্তাকে কেন্দ্রে রেখেই বিপণন মিশ্রণ আবর্তিত হয়।
পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভোক্তাদের রুচি, পছন্দ-অপছন্দ প্রভৃতি বিবেচনা করে পণ্যের মান, নকশা, বৈশিষ্ট্য, মোড়ক উন্নয়ন করা হয়। তাছাড়া ভোক্তাদের আকৃষ্ট করতে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রসারমূলক কৌশল অবলম্বন করে থাকে। মূল্য নির্ধারণ, মূল্যছাড়, পরিশোধের সময়, বাট্টা ইত্যাদি মূল্যসংক্রান্ত কার্যাবলিও ভোক্তাকে বিবেচনা করে করা হয়। আবার ভোক্তার ওপর ভিত্তি করেই বণ্টন ব্যবস্থা দীর্ঘায়িত হবে নাকি স্বল্প হবে তা নির্ধারণ করা হয়। সুতরাং, ভোক্তাদের উদ্দেশ্যে বিপণনের সব কাজ পরিচালিত হয়। যার ফলে ভোক্তাকে বিপণন মিশ্রণের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়।