ভোক্তাবাজার বিভক্তিকরণের মনস্তাত্ত্বিক বিভক্তিকরণ চলকটির ব্যবহার মিসেস মারুফার মুনাফা বৃদ্ধির কারণ।কোনো একটি জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন ব্যক্তির মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্যের ভিত্তিতে বাজারকে ভাগ করা হলে তাকে মনস্তাত্ত্বিক বিভক্তিকরণ বলে। যেমন: সামাজিক শ্রেণি, জীবনধারণ পদ্ধতি, ব্যক্তিত্ব, মূল্যবোধ ইত্যাদির ভিত্তিতে ভাগ করা। এক্ষেত্রে সমাজের উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ইত্যাদি শ্রেণিতে বিভক্ত করা সামাজিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।উদ্দীপকে মিসেস মারুফা বয়স, পেশা ও শিক্ষা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শাড়ি তৈরি করেন। অতঃপর সেগুলো সারাদেশে বিক্রয় করেন। সম্প্রতি তিনি শহরের উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মহিলাদের জন্য বিভিন্ন মানের শাড়ি তৈরি করে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করেন। এতে গত কয়েক বছরের তুলনায় চলতি বছরের মুনাফা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।একটি সমাজে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বসবাস করে। তাদের আয়, ব্যয় করার মানসিকতা, জীবনধারণ পদ্ধতি, ব্যক্তিত্ব এক রকম নয়। তাই একজন ব্যবসায়ীকে পণ্য বিপণনের পূর্বে ভোক্তাদের। এসকল বিষয়গুলো নিয়ে পণ্য বিপণন করতে হয়। উদ্দীপকের মারুফাও তাই সমাজের উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মহিলাদের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন মানের শাড়ি বাজারে বিক্রয় করে। এতে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানেরও উন্নতি সাধিত হয়। তাই আমি মনে করি, ভোক্তাবাজার বিভক্তিকরণের মনস্তাত্ত্বিক বিভক্তিকরণ চলকটির ব্যবহার মিসেস মারুফার মুনাফা বৃদ্ধির কারণ।