২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি পণ্যের জীবনচক্রের পতন স্তরে রয়েছে। এমতাবস্থায় প্রতিষ্ঠানটিকে পণ্য পরিবর্তন, পরিমার্জন, ব্যয় ও মূল্য হ্রাসসহ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হবে।যে স্তরে পণ্যের বিক্রয় ক্রমাগতভাবে হ্রাস পেতে থাকে এবং মুনাফা শূন্যের দিকে ধাবিত হয় তাকে পতন স্তর বলে। এ স্তরে প্রতিযোগীর সংখ্যা হ্রাস পায় এবং পণ্যের বিক্রয় কমতে থাকে বিধায় পণ্যের মূল্য কম ধার্য করা হয়।উদ্দীপকে চিত্রে রাকিব গ্রুপের বিক্রয় ও মুনাফা রেখা বিদ্যমান। প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সালে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয় শুরু করে। বাজারে প্রবেশের পর থেকে পণ্যগুলো প্রবৃদ্ধি স্তরে উন্নীত হতে শুরু করে এবং ২০১৮-২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয় সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছায়। তবে ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের বিক্রয় কমে যাচ্ছে; যা পণ্যের পতন স্তরকে নির্দেশ করে।উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে পতন স্তরে রয়েছে। এই স্তরে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ক্রমাগতভাবে হ্রাস পেতে থাকে এবং প্রতিযোগীর সংখ্যাও হ্রাস পায়। এমতাবস্থায় উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির করণীয় হচ্ছে তাদের পণ্যের প্রমোশন ব্যয় হ্রাস করে মূল্য কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। এতে আশা করা যায়, প্রতিষ্ঠানটি তাদের বাজার পূর্বের ন্যায় প্রতিযোগীর সাথে পাল্লা দিয়ে ধরে রাখতে পারবে। তবে তা সম্ভব না হলে পণ্যকে বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।