বাজার চাহিদা ও প্রতিযোগিতার কারণে পণ্যের জীবনচক্রের একেক স্তরে বিপণন কৌশল একেক রকম হয়।
বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে একটি পণ্যের জীবনকাল শুরু হয়। আবার, বাজার থেকে পণ্যটি নিঃশেষ হওয়া বা তুলে নেয়ার মাধ্যমে জীবনকালের সমাপ্তি ঘটে। জীবনচক্রের পাঁচটি ধাপের (পণ্যের উন্নয়ন, সূচনা, প্রবৃদ্ধি, পূর্ণতা ও পতন) স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও কৌশল রয়েছে।
উদ্দীপকের চিত্রে দেখা যাচ্ছে পণ্যের উন্নয়ন স্তরে বিক্রয় হয়নি। সূচনা স্তরে পণ্য বিক্রয় শুরু হয়েছে। প্রবৃদ্ধি ও পূর্ণতা স্তরে বিক্রয় বেড়ে পতন স্তরে কমতে শুরু করেছে। আবার পণ্য উন্নয়ন স্তরে মুনাফা হয় না। সূচনা ও প্রবৃদ্ধি স্তরে বেড়ে পূর্ণতা স্তরে সর্বোচ্চ হয় এবং ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।
পণ্যের জীবনচক্রের প্রতিটি স্তরে বিপণন কৌশল ভিন্ন ভিন্ন হয়। পণ্য উন্নয়ন স্তরে পণ্যের উৎপাদনের দিকে গুরুত্বারোপ করতে হয়। সূচনা স্তরে প্রথমবারের মতো পণ্য বাজারে ছাড়া হয় বলে পণ্য পরিচিতকরণের প্রয়োজন হয়। তাই প্রতিষ্ঠানকে প্রসারমূলক কাজে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। প্রবৃদ্ধি স্তরে পণ্যের পরিচিতি ও সুনাম বৃদ্ধি পায়, তাই পণ্যের মান উন্নত রাখতে হয়। তাছাড়া বাজারে প্রতিযোগী প্রবেশ করে বিধায় সচেতন থাকতে হয়। প্রতিযোগী মোকাবেলায় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হয়। পূর্ণতা স্তরে বিক্রয় ও মুনাফা কমতে থাকে। পতন স্তরে পণ্য বাজার থেকে তুলে নিতে হয় অথবা নতুন ডিজাইন করতে হয়। তাই বলা যায়, পণ্যের জীবনচক্রের চাহিদা ও প্রতিযোগিতার কারণে বিপণন কৌশল ভিন্ন ভিন্ন হয়।