কার্যকর বাজার বিভক্তিকরণ এর পাঁচটি কৌশল এর উপর নির্ভর করে উদ্দীপকের আলোকে নিচে আলোচনা করা হলো।
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায় জগতে বিপণনে সফলতার জন্য সমগ্র বাজায় কে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করা হয়। পরবর্তীতে ক্ষুদ্র এই অংশের ভোক্তাদের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য বিপণন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। কার্যকর বাজার বিভক্তিকরণ এর পাঁচটি কৌশল রয়েছে এবং তা হলো পৃথক করণ যোগ্য কার্যোপযোগী পরিমাপযোগ্য প্রবেশযোগ্য পর্যাপ্ত।
উদ্দীপকে দেখা যায়, ইউনিক কোম্পানি লি. বোতলজাত শ্যাম্পু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি ভোক্তাদের বয়স ও জীবনচক্র, আয়, পারিবারিক আয়তন ইত্যাদি বিবেচনা করে পণ্য বাজারজাত করে। তারা মনে করে বিপণনে বাজারের আয়তন, ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠানের শক্তি সামর্থ্য, যোগ্যতা এবং পর্যাপ্ততা বাজার বিভক্তিকরণকে কার্যকর করার অন্যতম উপাদান ।অর্থাৎ তাদের মতে বাজার বিভক্তিকরণের কতগুলো ক্ষেত্র বিপক্ষে রয়েছে, যা যথাযথ অনুসরণ না করলে কার্যকর বাজার বিভক্তি করন সম্ভব নয়।
বাজার বিভাগটির আয়তন ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতা এবং বিভক্তিকরণের বৈশিষ্ট্য পরিমাপযোগ্য হতে হবে।
নির্দিষ্ট বাজার বিভাগে বিপণন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও পণ্য পরিবেশনের জন্য প্রবেশ যোগ্যতা থাকতে হবে।
বাজার বিভাগটির কার্যক্রম পরিচালনা যোগ্য ও মুনাফা অর্জনের উপযোগী হওয়া প্রয়োজন।
বাজার কেমন ভাবে ভাগ করতে হবে যেন উপবিভাগ গুলোর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।
বাজার বিভক্তিকরণ এর সময় উপ বাজার বা উপবিভাগ গুলোতে ক্রেতাদের আকর্ষণ করার বা তাদেরকে সেবা দানের সামর্থ্য প্রতিষ্ঠানটি আছে কিনা তা বিবেচনা করতে হবে।
এ সকল শর্ত সঠিকভাবে পূরণ করতে পারলে কার্যকর বাজার বিভক্তিকরণ সম্ভব হবে। তাই বলা যায়, কার্যকর বাজার বিভক্তিকরণ কতগুলো শর্তের উপর নির্ভরশীল।