মি. জিতুর ব্যবসায় সম্প্রসারণের জন্য বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তটি যথার্থ হয়েছে।
বিভাগীয় বিপণি বলতে একই দালানে অবস্থিত কয়েকটি পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত বৃহদায়তন খুচরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। এ ধরনের বিপণি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। এ ধরনের বিপণিতে নারী-পুরুষের পোশাক, বাচ্চাদের পোশাক, খেলনা, বই প্রভৃতি বিভিন্ন রকমের পণ্যের জন্য জন্য আলাদা আলাদা বিভাগ থাকে।
মি. জিতু দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে চেইন স্টোর স্থাপন করেছেন। এখানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের উন্নতমানের পণ্য পাওয়া যায়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির সফলতা দিন দিন বাড়ছে। এজন্য জিতু ব্যবসায় সম্প্রসারণ করতে ইচ্ছুক। তিনি ঢাকায় নতুন একটি বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন। অর্থাৎ তিনি বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
'জিপান' ইতোমধ্যেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর বাণিজ্যিক কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ অবস্থায় রাজধানী ঢাকাতে এ ব্যবসায় আরও সম্প্রসারণ করাটা যৌক্তিক। কারণ এখানে লোকসংখ্যা অন্যান্য শহরগুলোর থেকে বেশি। আর এখানে বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগটিও যথার্থ। এর ফলে ক্রেতারা একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকেই বিস্তৃত পণ্যসারির সুবিধা পাবে। এতে ক্রেতাদের কাঙ্ক্ষিত পণ্যটি ক্রয়ের ক্ষেত্রে অন্য কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। তাছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হওয়ায় মি. জিতু ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জনে অধিক নজর দিতে পারবেন। বিভাগীয় বিপণির পণ্যগুলো সাধারণত উচ্চ মানসম্পন্ন হয়। তাই ক্রেতাদের পণ্যমান নিয়েও প্রশ্ন থাকবে না। বরং তারা জিপানের সামগ্রিক সুনাম বাড়াতে সহায়তা করবে। তাই বলা যায়, মি. জিতুর ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তটি যৌক্তিক।