ক্ষুধার তাড়নায় চুরি করে বলে "উদ্দীপকটির সাজাহান ও 'বিড়াল' রচনার বিড়াল একই বিড়ম্বনার অংশীদার।"আমাদের সমাজে দরিদ্র, অসহায় মানুষ সবসময় ধনীদের দ্বারা শোষণের শিকার হয়। ধনীদের নিষ্ঠুরতায় তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো কখনই পূরণ হয় না। সমাজের অবহেলিত দরিদ্র মানুষের কষ্ট কখনো শেষ হয় না। শোষক শ্রেণির অমানবিকতায় পৃথিবীতে নির্যাতিত- নিপীড়িত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।উদ্দীপকে দরিদ্র বাবা-মায়ের সন্তান সাজাহানের কথা বলা হয়েছে। সাজাহান কাজ নেয় পাশের গ্রামের কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে। সারা দিন ঘরে-বাইরে কঠোর পরিশ্রম করেও ক্ষুধার অন্ন থেকে বঞ্চিত হয় সে। ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় বাজারের পয়সা বাঁচিয়ে লাড্ডু কিনে খায় সাজাহান। এর ফলে তাকে মালিকের নির্মম নির্যাতন সহ্য করতে হয়। অন্যদিকে 'বিড়াল' রচনায়ও এই বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। ক্ষুৎপিপাসার তাড়নায় এক প্রকার বাধ্য হয়েই চুরি করে কমলাকান্তর জন্য রাখা দুধ খেয়ে ফেলে বিড়াল। চুরি করে দুধ খাওয়ার কারণে কমলাকান্ত তাকে মারতে এগিয়ে যায় এবং নানা রকম ভর্ৎসনা করে। বিড়াল তাকে বলে যে, সে সাধ করে চুরি করেনি। ক্ষুধার তাড়নায় চুরি করেছে। সাজাহান ও বিড়াল উভয়েই চুরি করে খাওয়ার জন্য নিগৃহীত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, ক্ষুধার তাড়নায় চুরি করে বলে উদ্দীপকের সাজাহান ও 'বিড়াল' রচনার বিড়াল একই বিড়ম্বনার অংশীদার।