“মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের পিঁপড়া আর উদ্দীপকের মঙ্গলগ্রহের অদ্ভুত প্রাণীগুলো যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ, মন্তব্যটির সঙ্গে আমি একমত।
পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী বসবাস করে। এই প্রাণীগুলোর মধ্যে অনেক প্রাণী বুদ্ধিমান। বুদ্ধিমান প্রাণীদের কর্মকাণ্ডেই তাদের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায়। আবার আত্মঘাতী প্রাণীর পরিচয়ও পাওয়া যায়। তারা নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য জগতের ব্যাপক ধ্বংস ও বিপর্যয় ডেকে আনে।
'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে মহাজগৎ থেকে আগত দুজন কিউরেটরের পর্যবেক্ষণে বিভিন্ন প্রাণীর বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে। তারা পিঁপড়ার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিচার করে পিঁপড়াকে তাদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্বাচন করেছে। পিঁপড়া দলবেঁধে থাকায় মহাজাগতিক কিউরেটররা তাদের মধ্যে সামাজিকতা খুঁজে পেয়েছে। তাছাড়া এরা পরিশ্রমী ও সুশৃঙ্খল। এদের মধ্যে কোনো ঝগড়া-বিবাদ নেই। এরা একে অন্যকে বাঁচানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে। পিঁপড়ার এমন ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে তারা মুগ্ধ হয়। উদ্দীপকের রতন ও তার ছোট ভাই মঙ্গলগ্রহের অদ্ভুত আকৃতির প্রাণীগুলো দেখে বিমোহিত হয়। তাদের মধ্যে কোনো ধ্বংসাত্মক মনোভাব ছিল না।
উদ্দীপকে অদ্ভুত আকৃতির প্রাণীদের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের কারণেই রতন ও তার ছোট ভাই বিমোহিত হয়েছে। মহাজাগতিক কিউরেটর গল্পেও পিঁপড়ার মধ্যে বিরাজমান সামাজিকতা, সুশৃঙ্খলতা ও পরিশ্রমী মনোভাব কিউরেটরদের মুগ্ধ করেছে। তাই বলা হয়েছে যে, গল্পের পিঁপড়া আর উদ্দীপকের মঙ্গলগ্রহের অদ্ভুত প্রাণীগুলো যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।