'বায়ান্নরা দিনগুলো' প্রবন্ধের চেতনা উদ্দীপকে আংশিক প্রতিফলিত হয়েছে।
একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক দেশ ও জাতির মুক্তির জন্য নিজের জীবনের সুখ-শান্তি বিসর্জন দেন। দেশের মুক্তির জন্য নিজের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দেশের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেন।
উদ্দীপকের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ব্রিটিশ সরকারের অধীন থেকে ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে কারাবরণ এবং জেলে অনশন ধর্মঘটের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। কাজী নজরুলের এই সংগ্রামী - চেতনা 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনেও প্রতিফলিত হয়েছে। এই প্রবন্ধে লেখকও পাকিস্তানি শাসকদের অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে জেলে বন্দি হন। রাজবন্দিদের মুক্তির জন্য তিনি অনশন ধর্মঘট পালন করেন জেলে বসেই। তবে প্রবন্ধে লেখক আরও কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন যা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। এক্ষেত্রে উদ্দীপকটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের সমগ্র চেতনা ধারণ করতে পারেনি।
'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারাবরণ ও অনশনের পাশাপাশি তাঁর শারীরিক অসুস্থতা, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনা, দাবি আদায়ে তার আপসহীন মনোভাব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা, পরিবারের লোকদের আবেগ, অনুভূতি ও ভালোবাসা ইত্যাদি বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে যা উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। উদ্দীপকে কেবল কাজী নজরুলের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারাবরণ ও জেলে বসে অনশন করার দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে। তাই পরিশেষে বলা যায়, 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের চেতনা উদ্দীপকে আংশিক প্রতিফলিত হয়েছে।