উদ্দীপকের বিশ্বস্ত ব্যক্তি দ্বারা বিশ্বাসঘাতকতা, অদূরদর্শী নেতৃত্ব ও ক্ষমতার অপব্যবহার এই বিষয়গুলো সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজ মিরজাফর, রাজবল্লভ, জগৎশেঠ প্রমুখ অভিজাতদের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন। কিন্তু তারা লোভ ও ক্ষমতার জন্য ষড়যন্ত্র করে ইংরেজদের সাথে হাত মেলান। নবাবের অতিরিক্ত সরলতা ও বিশ্বাসই তাকে চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘিরে ফেলতে সাহায্য করেছিল।
উদ্দীপকের ব্যাংক ম্যানেজার কামরুল হাসান যেমন তার মামার অনুরোধে প্রতারক জালালকে চাকরি দিয়েছিলেন, তেমনই নাটকের নবাবও ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা অন্ধবিশ্বাসের ভিত্তিতে মিরজাফর-রাজবল্লভদের উচ্চপদে বসিয়েছিলেন। উভয় ক্ষেত্রেই আবেগী সিদ্ধান্ত, অতিরিক্ত বিশ্বাস ও ক্ষমতার অপব্যবহার দেখা যায়। কামরুল হাসান যেমন জালালের বিশ্বাসঘাতকতায় ব্যাংকের সর্বস্ব হারান, নবাব সিরাজও তার অমাত্যদের ষড়যন্ত্রে রাজ্য ও প্রাণ হারান। তবে নাটকে ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক ক্ষমতা ও অর্থলোভ, কিন্তু উদ্দীপকে অর্থলোভই প্রধান।