মূল বক্তব্যের বিস্তৃতির দিক থেকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সার বক্তব্য উদ্দীপকের মূল বক্তব্য থেকে আরও গভীর ও বিস্তৃত- মন্তব্যটি যথার্থ।'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের প্রশান্তি বর্ণনা করেছেন। বৃক্ষ সর্বদাই পরার্থে নিজেকে বিলিয়ে দেয়। বৃক্ষের বেড়ে ওঠা, ফুলে-ফলে ভরে ওঠা সবই অন্যকে কেন্দ্র করে। তাই তো প্রাবন্ধিক বৃক্ষের সাধনাকে মানুষের জীবনসাধনা করতে বলেছেন।উদ্দীপকে বৃক্ষের পরার্থপর মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে। নিমগাছ তার ভেষজ গুণসমৃদ্ধ ডাল-পাতা-ছাল দিয়ে মানবসেবায় আত্মনিবেদন করেছে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বৃক্ষের সাধনায় যেমন ধীরস্থির ভাব দেখা যায়, সৃজনশীল মানুষের চিন্তায়ও থাকে তেমনই স্থিরতা। বৃক্ষের সমস্ত প্রাপ্তি অন্যের কল্যাণে নিবেদিত, সৃজনশীল মানুষেরও তাই।উদ্দীপকে বর্ণিত নিমগাছের পরার্থপর বৈশিষ্ট্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের পরার্থপর বৈশিষ্ট্যকেই তুলে ধরেছে। তবে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সার বক্তব্য আরও গভীর ও বিস্তৃত। লেখক বৃক্ষের সাধনা ও সার্থকতার দৃষ্টান্তকে মানবজীবনে গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। পরের কল্যাণে আত্মনিবেদনের মাধ্যমেই মানবজীবন সার্থকতার দেখা পায়। উদ্দীপকে এমন কোনো নির্দেশনা নেই। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য উক্তিটি যথার্থ।