'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে মানুষের বিলীন হয়ে যাওয়া এবং মহৎকর্মের মাধ্যমে মানুষের টিকে থাকার বিষয়টি উদ্দীপকের মাদার তেরেসার জীবনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'সোনার তরী' কবিতার কবি তাঁর কবিতার মহৎকর্মের মাধ্যমে পৃথিবীতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকতে চান। কারণ মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। মহাকালের স্রোতে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব একসময় বিলীন হয়ে যায়, কিন্তু মানুষ তার মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বুকে অমর হয়ে থাকেন।
উদ্দীপকে মাদার তেরেসার অকৃত্রিম মাতৃস্নেহ ও মানবতার সেবার কথা বলা হয়েছে। তিনি পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। তিনি নেই কিন্তু তাঁর সেই কর্মের জন্য তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে পৃথিবীবাসী। মহাকাল তাঁর শরীরকে রাখেনি, তাঁর কর্মকে রেখেছেন। এ বিষয়টি 'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে কৃষকের হারিয়ে যাওয়া ও তার সোনার ফসল রক্ষা পাওয়ার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ কৃষক তরিতে ঠাঁই না পেলেও তার ধান সোনার তরিতে ঠাঁই পায়। মহাকালের স্রোতে মানুষের হারিয়ে যাওয়া এবং কর্ম টিকে থাকার বিষয়টি উদ্দীপকের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।