Chapter 5 : মানসিক চাপ এবং মোকাবেলা Psychology 2nd Paper

HSC Psychology 2nd Paper এর Chapter 5 : মানসিক চাপ এবং মোকাবেলা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৫৯

প্রশ্ন

Psychology 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: প্রকৃত সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও মানুষ তার মানসিক চাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে সর্বদা। যেমন: সে কখনও নিজের কষ্টগুলো জোরপূর্বক ভুলে থাকে কিংবা অবাস্তব চিন্তা করে। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন আত্মরক্ষামূলক কৌশল।

Jessore · 2025

আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব কী?

উত্তর

যখন একই সাথে সমান আকর্ষণীয় দুটি বস্তু থাকে এবং সেখান থেকে একটি গ্রহণ করতে হয় তখন আমরা যে ধরনের দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই তাকে আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব বলে।
কর্মভার নিরসনে কর্ম-বিরতির প্রয়োজন হয় কেন?

উত্তর

কর্মভার হল কর্মের প্রতি আগ্রহ বা ইচ্ছা হ্রাস পাওয়া, শ্রান্তি ও বিরক্তিবোধ বৃদ্ধি পাওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ কাজ করার ফলে সৃষ্ট মানসিক অবস্থা। কর্মভার নিরসনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম একটি হলো কর্ম-বিরতি। ব্যক্তির কর্ম ক্লান্তি দূর করা এবং কর্মক্ষমতা সংরক্ষণের জন্য কর্মবিরতির আবশ্যকতা অনস্বীকার্য। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে কর্ম বিরতির ফলে যে সময় ব্যয় হয় তাদের উৎপাদন হ্রাস পায় না বরং উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সুতরাং কর্ম-বিরতির মাধ্যমে কর্মভার নিরসন করা সম্ভব পাশাপাশি উৎপাদনও বাড়ানো সম্ভব।
দৃশ্যকল্প-১ এর 'AA^{\prime} চিহ্নিত অংশটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A চিহ্নিত অংশটি হলো দৈহিক কর্মভার। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- দৈহিক কর্মভারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর ফলে কতগুলো শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে যেগুলো ব্যক্তি নিজে এবং অন্যরাও প্রত্যক্ষ করতে বা পরিমাপ করতে পারে। কিন্তু সব ধরনের কর্মভারের দৈহিক উপসর্গ থাকে না। যেমন- হালকা শারীরিক পরিশ্রমের ফলে যে কর্মফল সৃষ্টি হয় তাতে তেমন কোনো শারীরিক পরিবর্তন ঘটে না। কর্মভারের ফলে সাধারণত যে সকল দৈহিক লক্ষণ সমূহ দেখা যায় তা হলো শরীর অবশ লাগা, তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া, মাথা ভার ভার লাগা ও ব্যথা করা, হাই তোলা, চোখে ব্যথা অনুভব করা, দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হওয়া, শুয়ে পড়তে ইচ্ছা করা, তৃষ্ণা অনুভব করা, কাজের প্রতি মন্থর হওয়া, শরীর ঘামানো, হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বেড়ে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া প্রভৃতি।
মানসিক চাপ, মোকাবেলায় দৃশ্যকল্প-২ এ যে কৌশলগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

মানসিক চাপ মোকাবেলায় দৃশ্যকল্প ২ এ যে কৌশলগুলোর কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো অবদমন, কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন। অবদমন: তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক নীতি বিরোধী কাজগুলো আমাদের নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজকে অবদমন বলে। কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন: ব্যর্থ ও আশাহত ব্যক্তির কল্পনায় সাফল্য অর্জন বা কাঙ্খিত বস্তু লাভ করা সম্পর্কে সুখকর চিন্তা করা এবং মানসিক প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলাকে কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন বলে। যে সকল ইচ্ছা বাস্তবে তৃপ্ত হয় না সেগুলোকে কল্পনা বা দিবাস্বপ্নের মাধ্যমে ব্যক্তি আংশিকভাবে তৃপ্ত করার চেষ্টা করে থাকে। অবদমিত বাসনাকে তৃপ্তি দানের এই কৌশল খুবই সহজ এবং সকলেরই আয়ত্বাধীন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: প্রকৃত সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও মানুষ তার মানসিক চাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে সর্বদা। যেমন: সে কখনও নিজের কষ্টগুলো জোরপূর্বক ভুলে থাকে কিংবা অবাস্তব চিন্তা করে। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন আত্মরক্ষামূলক কৌশল।

Jessore · 2025

আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব কী?

উত্তর

যখন একই সাথে সমান আকর্ষণীয় দুটি বস্তু থাকে এবং সেখান থেকে একটি গ্রহণ করতে হয় তখন আমরা যে ধরনের দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই তাকে আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব বলে।
কর্মভার নিরসনে কর্ম-বিরতির প্রয়োজন হয় কেন?

উত্তর

কর্মভার হল কর্মের প্রতি আগ্রহ বা ইচ্ছা হ্রাস পাওয়া, শ্রান্তি ও বিরক্তিবোধ বৃদ্ধি পাওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ কাজ করার ফলে সৃষ্ট মানসিক অবস্থা। কর্মভার নিরসনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম একটি হলো কর্ম-বিরতি। ব্যক্তির কর্ম ক্লান্তি দূর করা এবং কর্মক্ষমতা সংরক্ষণের জন্য কর্মবিরতির আবশ্যকতা অনস্বীকার্য। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে কর্ম বিরতির ফলে যে সময় ব্যয় হয় তাদের উৎপাদন হ্রাস পায় না বরং উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সুতরাং কর্ম-বিরতির মাধ্যমে কর্মভার নিরসন করা সম্ভব পাশাপাশি উৎপাদনও বাড়ানো সম্ভব।
দৃশ্যকল্প-১ এর 'AA^{\prime} চিহ্নিত অংশটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A চিহ্নিত অংশটি হলো দৈহিক কর্মভার। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- দৈহিক কর্মভারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর ফলে কতগুলো শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে যেগুলো ব্যক্তি নিজে এবং অন্যরাও প্রত্যক্ষ করতে বা পরিমাপ করতে পারে। কিন্তু সব ধরনের কর্মভারের দৈহিক উপসর্গ থাকে না। যেমন- হালকা শারীরিক পরিশ্রমের ফলে যে কর্মফল সৃষ্টি হয় তাতে তেমন কোনো শারীরিক পরিবর্তন ঘটে না। কর্মভারের ফলে সাধারণত যে সকল দৈহিক লক্ষণ সমূহ দেখা যায় তা হলো শরীর অবশ লাগা, তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া, মাথা ভার ভার লাগা ও ব্যথা করা, হাই তোলা, চোখে ব্যথা অনুভব করা, দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হওয়া, শুয়ে পড়তে ইচ্ছা করা, তৃষ্ণা অনুভব করা, কাজের প্রতি মন্থর হওয়া, শরীর ঘামানো, হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বেড়ে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া প্রভৃতি।
মানসিক চাপ, মোকাবেলায় দৃশ্যকল্প-২ এ যে কৌশলগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

মানসিক চাপ মোকাবেলায় দৃশ্যকল্প ২ এ যে কৌশলগুলোর কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো অবদমন, কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন। অবদমন: তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক নীতি বিরোধী কাজগুলো আমাদের নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজকে অবদমন বলে। কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন: ব্যর্থ ও আশাহত ব্যক্তির কল্পনায় সাফল্য অর্জন বা কাঙ্খিত বস্তু লাভ করা সম্পর্কে সুখকর চিন্তা করা এবং মানসিক প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলাকে কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন বলে। যে সকল ইচ্ছা বাস্তবে তৃপ্ত হয় না সেগুলোকে কল্পনা বা দিবাস্বপ্নের মাধ্যমে ব্যক্তি আংশিকভাবে তৃপ্ত করার চেষ্টা করে থাকে। অবদমিত বাসনাকে তৃপ্তি দানের এই কৌশল খুবই সহজ এবং সকলেরই আয়ত্বাধীন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় দিবা তার পছন্দের দুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। সে কোন বিষয়ে ভর্তি হবে বুঝতে পারছে না। অন্যদিকে শাড়ির দোকানে গিয়ে তুলির একটা শাড়ি খুবই পছন্দ হলো, কিন্তু শাড়ির দাম অনেক বেশি।

Jessore · 2025

মানসিক চাপ কী?

উত্তর

রোজেন এবং গ্রেগরী এর মতে- “জৈবিক বা মানসিক, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ, অনিষ্টকর বা বঞ্চনাকর যে কোনো উদ্দীপকের কারণে সংগতিবিধান সম্পর্কিত অসুবিধাকেই মানসিক চাপ বলা হয়।”
চাপ হ্রাসে সামাজিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

একজন ব্যক্তির জীবনে চাপ উপস্থিত হলে সে যদি পুরোপুরি সামাজিক সহায়তা পায় তবে চাপের মাত্রা কমে আসে। ব্যক্তি যদি বিবাহিত হয় তবে তার অনেক আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধব থাকে। চাপমূলক অবস্থার সম্মুখীন হলে ব্যক্তি তাদের সমর্থন পায় এবং ভেঙে না পড়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে এবং গ্রহণযোগ্য আচরণ করে থাকে। আবার একজন মেধাবী ছাত্র বা ভালো ছাত্রনেতার অনেক বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী থাকে। তাদের কেউ চাপের শিকার হলে ছাত্র, শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন রাজনৈতিক নেতা সকলে এগিয়ে আসে তাদের সহায়তা বা সমর্থন দানের জন্য। এভাবে সমাজ থেকে সহায়তা লাভের মাধ্যমে চাপ মোকাবেলা করা সম্ভব।
চিত্রটির 'AA^{\prime} ব্যাখ্যা কর।-

উত্তর

উদ্দীপকে চিত্রটির অংশ অসহায়ত্ব বা হতাশাকে নির্দেশ করে। মরগান কিং ও তার সহযোগীগণের মতে- "একটি লক্ষ্যবস্তুর দিকে পরিচালিত আচরণ বাধাপ্রাপ্ত হলে তাকে হতাশা বলে।" অসহায়ত্ব বা হতাশার উৎস বিভিন্ন রকমের হতে পারে- ১. পরিস্থিতিমূলক উৎস, ২. আন্তঃব্যক্তিক উৎস, ৩. ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস ১. পরিস্থিতিমূলক উৎস যে সকল পরিবেশ বা পরিস্থিতিমূলক অবস্থা হতাশার সৃষ্টি করে থাকে সেই অবস্থাকে বলে হতাশার পরিস্থিতিমূলক উৎস। এ সকল পরিস্থিতি সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনা থেকে উদ্ভূত হয়ে থাকে। তবে কেবলমাত্র প্রাকৃতিক ঘটনাই নয় বরং রাষ্ট্রীয় বা প্রশাসনিক ঘটনাগুলোও এ ধরনের উৎসের সৃষ্টি করতে পারে। ২. আন্তঃব্যক্তিক উৎস: বিভিন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্কজনিত প্রতিবন্ধকতা থেকেও হতাশার জন্ম হতে পারে। এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দ্বারা অথবা কোন দলীয় চাপের দ্বারা চাহিদা পূরণে বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে তখন হতাশা দেখা দেয়। ৩. ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস হতাশা সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তির একান্ত ব্যক্তিগত কারণগুলোকেই ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস বলা যায়। এ উৎসগুলো শারীরিক অথবা মানসিক অবস্থা থেকে উদ্ভূত হয়।
দিবা ও তুলির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দ্বন্দ্বগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দিবা ও তুলির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দ্বন্দ্বগুলো হলো যথাক্রমে আকর্ষণ আকর্ষণ দ্বন্দ্ব ও আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব। নিচে দ্বন্দ্বদ্বয়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- যখন আমাদের সামনে দুটি সমান আকর্ষণীয় বস্তু থাকে এবং সেখান থেকে একটি গ্রহণ করতে হবে তখন আমরা আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই। এ ধরনের দ্বন্দ্বে দুটি ধনাত্মক লক্ষ্যবস্তু থাকে এবং দুটি লক্ষ্যবস্তুই একই সাথে সমান আকর্ষণীয়। অন্যদিকে, আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব সচরাচর ঘটে থাকে। কিন্তু এর সমাধান খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে, লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয় কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋনাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত থাকে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে। উদ্দীপকে দেখা যায়, দিবা তার পছন্দের দুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে কোনটিতে ভর্তি হবে তা বুঝতে পারছে না। এক্ষেত্রে তার মধ্যে আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে শাড়ির দোকানে গিয়ে তুলির একটি শাড়ি পছন্দ হলো। কিন্তু শাড়িটির দাম অনেক বেশি এক্ষেত্রে তুলির মধ্যে যে দ্বন্দ্বটি সৃষ্টি হয়েছে তা হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় দিবা তার পছন্দের দুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। সে কোন বিষয়ে ভর্তি হবে বুঝতে পারছে না। অন্যদিকে শাড়ির দোকানে গিয়ে তুলির একটা শাড়ি খুবই পছন্দ হলো, কিন্তু শাড়ির দাম অনেক বেশি।

Jessore · 2025

মানসিক চাপ কী?

উত্তর

রোজেন এবং গ্রেগরী এর মতে- “জৈবিক বা মানসিক, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ, অনিষ্টকর বা বঞ্চনাকর যে কোনো উদ্দীপকের কারণে সংগতিবিধান সম্পর্কিত অসুবিধাকেই মানসিক চাপ বলা হয়।”
চাপ হ্রাসে সামাজিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

একজন ব্যক্তির জীবনে চাপ উপস্থিত হলে সে যদি পুরোপুরি সামাজিক সহায়তা পায় তবে চাপের মাত্রা কমে আসে। ব্যক্তি যদি বিবাহিত হয় তবে তার অনেক আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধব থাকে। চাপমূলক অবস্থার সম্মুখীন হলে ব্যক্তি তাদের সমর্থন পায় এবং ভেঙে না পড়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে এবং গ্রহণযোগ্য আচরণ করে থাকে। আবার একজন মেধাবী ছাত্র বা ভালো ছাত্রনেতার অনেক বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী থাকে। তাদের কেউ চাপের শিকার হলে ছাত্র, শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন রাজনৈতিক নেতা সকলে এগিয়ে আসে তাদের সহায়তা বা সমর্থন দানের জন্য। এভাবে সমাজ থেকে সহায়তা লাভের মাধ্যমে চাপ মোকাবেলা করা সম্ভব।
চিত্রটির 'AA^{\prime} ব্যাখ্যা কর।-

উত্তর

উদ্দীপকে চিত্রটির অংশ অসহায়ত্ব বা হতাশাকে নির্দেশ করে। মরগান কিং ও তার সহযোগীগণের মতে- "একটি লক্ষ্যবস্তুর দিকে পরিচালিত আচরণ বাধাপ্রাপ্ত হলে তাকে হতাশা বলে।" অসহায়ত্ব বা হতাশার উৎস বিভিন্ন রকমের হতে পারে- ১. পরিস্থিতিমূলক উৎস, ২. আন্তঃব্যক্তিক উৎস, ৩. ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস ১. পরিস্থিতিমূলক উৎস যে সকল পরিবেশ বা পরিস্থিতিমূলক অবস্থা হতাশার সৃষ্টি করে থাকে সেই অবস্থাকে বলে হতাশার পরিস্থিতিমূলক উৎস। এ সকল পরিস্থিতি সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনা থেকে উদ্ভূত হয়ে থাকে। তবে কেবলমাত্র প্রাকৃতিক ঘটনাই নয় বরং রাষ্ট্রীয় বা প্রশাসনিক ঘটনাগুলোও এ ধরনের উৎসের সৃষ্টি করতে পারে। ২. আন্তঃব্যক্তিক উৎস: বিভিন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্কজনিত প্রতিবন্ধকতা থেকেও হতাশার জন্ম হতে পারে। এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দ্বারা অথবা কোন দলীয় চাপের দ্বারা চাহিদা পূরণে বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে তখন হতাশা দেখা দেয়। ৩. ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস হতাশা সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তির একান্ত ব্যক্তিগত কারণগুলোকেই ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস বলা যায়। এ উৎসগুলো শারীরিক অথবা মানসিক অবস্থা থেকে উদ্ভূত হয়।
দিবা ও তুলির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দ্বন্দ্বগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দিবা ও তুলির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দ্বন্দ্বগুলো হলো যথাক্রমে আকর্ষণ আকর্ষণ দ্বন্দ্ব ও আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব। নিচে দ্বন্দ্বদ্বয়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- যখন আমাদের সামনে দুটি সমান আকর্ষণীয় বস্তু থাকে এবং সেখান থেকে একটি গ্রহণ করতে হবে তখন আমরা আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই। এ ধরনের দ্বন্দ্বে দুটি ধনাত্মক লক্ষ্যবস্তু থাকে এবং দুটি লক্ষ্যবস্তুই একই সাথে সমান আকর্ষণীয়। অন্যদিকে, আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব সচরাচর ঘটে থাকে। কিন্তু এর সমাধান খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে, লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয় কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋনাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত থাকে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে। উদ্দীপকে দেখা যায়, দিবা তার পছন্দের দুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে কোনটিতে ভর্তি হবে তা বুঝতে পারছে না। এক্ষেত্রে তার মধ্যে আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে শাড়ির দোকানে গিয়ে তুলির একটি শাড়ি পছন্দ হলো। কিন্তু শাড়িটির দাম অনেক বেশি এক্ষেত্রে তুলির মধ্যে যে দ্বন্দ্বটি সৃষ্টি হয়েছে তা হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: প্রত্যেক ব্যক্তিই মানসিক চাপ মোকাবেলায় সচেতন বা উদাহরণস্বরূপ: অবচেতনে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকে। উদাহ আমাদের অতৃপ্ত কামনা বাসনা বা দুঃখমূলক স্মৃতিতে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে মনের গহীনে চাপা দিয়ে থাকি। আবার অনেক সময় আমাদের ব্যর্থতা বা ভুল কৃতকর্মকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উদ্ভট যুক্তি উপস্থাপনে নিজেকে রক্ষা করতে চাই। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন আত্মরক্ষামূলক কৌশল।

Dhaka · 2025

মানসিক চাপ কী?

উত্তর

রোজেন এবং গ্রেগরী এর মতে- "জৈবিক বা মানসিক, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ, অনিষ্টকর বা বঞ্চনাকর যে কোনো উদ্দীপকের কারণে সংগতিবিধান সম্পর্কিত অসুবিধাকেই মানসিক চাপ বলা হয়।"
অসহায়ত্ব ক্ষতিকর কেন?

উত্তর

মানুষের রয়েছে বহু সংখ্যক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। মানুষ নানাভাবে তার এসব লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করে। আবার এ লক্ষ্যগুলো সময়ে সময়ে তার সংখ্যা, রূপ ও প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটায়। এসব লক্ষ্য অর্জনে মানুষ সদা সচেষ্ঠ থাকে। কিন্তু বাস্তব ও প্রাকৃতিক কারণে সব সময় লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয় না। বিভিন্ন কারণে লক্ষ্য অর্জনের বাধা সৃষ্টি হয়। এভাবে কোন লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থ হলে মানুষের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। তাই এভাবে বারবার অসহায়ত্বের শিকার হলে ব্যক্তি এক ধরনের মানসিক পশ্চাৎপদতায় চলে যায়। এই পশ্চাদপদতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে নানা রকম ভাবে। যা একত্রে হতাশা নামে বিবেচিত হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বটি হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব। আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব সচরাচর ঘটে থাকে, কিন্তু এর সমাধান খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে; লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয়; কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋনাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত রাখে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ বলা যাক, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরে একজন ব্যক্তি একটি চাকুরি পেল, চাকরিটির বেতন ভালো কিন্তু চাকরি স্থল বাড়ি থেকে অনেক বেশি দূরে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির মধ্যে আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখিত আত্মরক্ষামূলক কৌশলগুলো বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

যদৃশ্যকল্প-২ এ আত্মরক্ষামূলক কৌশলগুলো হলো অবদমন ও অপব্যাখ্যান বা যুক্তিশুদ্ধকরণ। নিচে কৌশলগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- অবদমন: তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক নীতি বিরোধী কাজগুলো আমাদের নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজকে অবদমন বলে। অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ: নিজের ব্যর্থতা ও অক্ষমতা থেকে উদ্ভুত ত পীড়াদায়ক গ্লানির কবল থেকে মুক্তি লাভের জন্য ব্যক্তি অপব্যাখ্যার কৌশল ব্যবহার করে। এ কৌশলের মাধ্যমে ব্যক্তি তার অহম বোধকে অক্ষুণ্ণ রাখে এবং ব্যর্থতার গ্লানি থেকে মুক্তি লাভ করে। অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের অক্ষমতাকে ঢাকবার জন্য যুক্তাভ্যাসের আশ্রয় নিয়ে অন্যের চোখে আমাদের আত্মমর্যাদা রক্ষা করার চেষ্টা করি। শৃগাল ও আঙ্গুর ফল টক এর গল্প অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: প্রত্যেক ব্যক্তিই মানসিক চাপ মোকাবেলায় সচেতন বা উদাহরণস্বরূপ: অবচেতনে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকে। উদাহ আমাদের অতৃপ্ত কামনা বাসনা বা দুঃখমূলক স্মৃতিতে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে মনের গহীনে চাপা দিয়ে থাকি। আবার অনেক সময় আমাদের ব্যর্থতা বা ভুল কৃতকর্মকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উদ্ভট যুক্তি উপস্থাপনে নিজেকে রক্ষা করতে চাই। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন আত্মরক্ষামূলক কৌশল।

Dhaka · 2025

মানসিক চাপ কী?

উত্তর

রোজেন এবং গ্রেগরী এর মতে- "জৈবিক বা মানসিক, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ, অনিষ্টকর বা বঞ্চনাকর যে কোনো উদ্দীপকের কারণে সংগতিবিধান সম্পর্কিত অসুবিধাকেই মানসিক চাপ বলা হয়।"
অসহায়ত্ব ক্ষতিকর কেন?

উত্তর

মানুষের রয়েছে বহু সংখ্যক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। মানুষ নানাভাবে তার এসব লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করে। আবার এ লক্ষ্যগুলো সময়ে সময়ে তার সংখ্যা, রূপ ও প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটায়। এসব লক্ষ্য অর্জনে মানুষ সদা সচেষ্ঠ থাকে। কিন্তু বাস্তব ও প্রাকৃতিক কারণে সব সময় লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয় না। বিভিন্ন কারণে লক্ষ্য অর্জনের বাধা সৃষ্টি হয়। এভাবে কোন লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থ হলে মানুষের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। তাই এভাবে বারবার অসহায়ত্বের শিকার হলে ব্যক্তি এক ধরনের মানসিক পশ্চাৎপদতায় চলে যায়। এই পশ্চাদপদতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে নানা রকম ভাবে। যা একত্রে হতাশা নামে বিবেচিত হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বটি হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব। আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব সচরাচর ঘটে থাকে, কিন্তু এর সমাধান খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে; লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয়; কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋনাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত রাখে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ বলা যাক, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরে একজন ব্যক্তি একটি চাকুরি পেল, চাকরিটির বেতন ভালো কিন্তু চাকরি স্থল বাড়ি থেকে অনেক বেশি দূরে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির মধ্যে আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখিত আত্মরক্ষামূলক কৌশলগুলো বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

যদৃশ্যকল্প-২ এ আত্মরক্ষামূলক কৌশলগুলো হলো অবদমন ও অপব্যাখ্যান বা যুক্তিশুদ্ধকরণ। নিচে কৌশলগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- অবদমন: তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক নীতি বিরোধী কাজগুলো আমাদের নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজকে অবদমন বলে। অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ: নিজের ব্যর্থতা ও অক্ষমতা থেকে উদ্ভুত ত পীড়াদায়ক গ্লানির কবল থেকে মুক্তি লাভের জন্য ব্যক্তি অপব্যাখ্যার কৌশল ব্যবহার করে। এ কৌশলের মাধ্যমে ব্যক্তি তার অহম বোধকে অক্ষুণ্ণ রাখে এবং ব্যর্থতার গ্লানি থেকে মুক্তি লাভ করে। অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের অক্ষমতাকে ঢাকবার জন্য যুক্তাভ্যাসের আশ্রয় নিয়ে অন্যের চোখে আমাদের আত্মমর্যাদা রক্ষা করার চেষ্টা করি। শৃগাল ও আঙ্গুর ফল টক এর গল্প অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: প্রকৃত সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও মানুষ তার মানসিক চাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে সর্বদা। যেমন: সে কখনও নিজের কষ্টগুলো জোরপূর্বক ভুলে থাকে কিংবা অবাস্তব চিন্তা করে। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন আত্মরক্ষামূলক কৌশল।

Jessore · 2025

আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব কী?

উত্তর

যখন একই সাথে সমান আকর্ষণীয় দুটি বস্তু থাকে এবং সেখান থেকে একটি গ্রহণ করতে হয় তখন আমরা যে ধরনের দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই তাকে আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব বলে।
কর্মভার নিরসনে কর্ম-বিরতির প্রয়োজন হয় কেন?

উত্তর

কর্মভার হল কর্মের প্রতি আগ্রহ বা ইচ্ছা হ্রাস পাওয়া, শ্রান্তি ও বিরক্তিবোধ বৃদ্ধি পাওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ কাজ করার ফলে সৃষ্ট মানসিক অবস্থা। কর্মভার নিরসনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম একটি হলো কর্ম-বিরতি। ব্যক্তির কর্ম ক্লান্তি দূর করা এবং কর্মক্ষমতা সংরক্ষণের জন্য কর্মবিরতির আবশ্যকতা অনস্বীকার্য। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে কর্ম বিরতির ফলে যে সময় ব্যয় হয় তাদের উৎপাদন হ্রাস পায় না বরং উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সুতরাং কর্ম-বিরতির মাধ্যমে কর্মভার নিরসন করা সম্ভব পাশাপাশি উৎপাদনও বাড়ানো সম্ভব।
দৃশ্যকল্প-১ এর 'AA^{\prime} চিহ্নিত অংশটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A চিহ্নিত অংশটি হলো দৈহিক কর্মভার। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- দৈহিক কর্মভারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর ফলে কতগুলো শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে যেগুলো ব্যক্তি নিজে এবং অন্যরাও প্রত্যক্ষ করতে বা পরিমাপ করতে পারে। কিন্তু সব ধরনের কর্মভারের দৈহিক উপসর্গ থাকে না। যেমন- হালকা শারীরিক পরিশ্রমের ফলে যে কর্মফল সৃষ্টি হয় তাতে তেমন কোনো শারীরিক পরিবর্তন ঘটে না। কর্মভারের ফলে সাধারণত যে সকল দৈহিক লক্ষণ সমূহ দেখা যায় তা হলো শরীর অবশ লাগা, তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া, মাথা ভার ভার লাগা ও ব্যথা করা, হাই তোলা, চোখে ব্যথা অনুভব করা, দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হওয়া, শুয়ে পড়তে ইচ্ছা করা, তৃষ্ণা অনুভব করা, কাজের প্রতি মন্থর হওয়া, শরীর ঘামানো, হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বেড়ে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া প্রভৃতি।
মানসিক চাপ, মোকাবেলায় দৃশ্যকল্প-২ এ যে কৌশলগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

মানসিক চাপ মোকাবেলায় দৃশ্যকল্প ২ এ যে কৌশলগুলোর কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো অবদমন, কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন। অবদমন: তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক নীতি বিরোধী কাজগুলো আমাদের নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজকে অবদমন বলে। কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন: ব্যর্থ ও আশাহত ব্যক্তির কল্পনায় সাফল্য অর্জন বা কাঙ্খিত বস্তু লাভ করা সম্পর্কে সুখকর চিন্তা করা এবং মানসিক প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলাকে কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন বলে। যে সকল ইচ্ছা বাস্তবে তৃপ্ত হয় না সেগুলোকে কল্পনা বা দিবাস্বপ্নের মাধ্যমে ব্যক্তি আংশিকভাবে তৃপ্ত করার চেষ্টা করে থাকে। অবদমিত বাসনাকে তৃপ্তি দানের এই কৌশল খুবই সহজ এবং সকলেরই আয়ত্বাধীন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: প্রকৃত সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও মানুষ তার মানসিক চাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে সর্বদা। যেমন: সে কখনও নিজের কষ্টগুলো জোরপূর্বক ভুলে থাকে কিংবা অবাস্তব চিন্তা করে। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন আত্মরক্ষামূলক কৌশল।

Jessore · 2025

আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব কী?

উত্তর

যখন একই সাথে সমান আকর্ষণীয় দুটি বস্তু থাকে এবং সেখান থেকে একটি গ্রহণ করতে হয় তখন আমরা যে ধরনের দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই তাকে আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব বলে।
কর্মভার নিরসনে কর্ম-বিরতির প্রয়োজন হয় কেন?

উত্তর

কর্মভার হল কর্মের প্রতি আগ্রহ বা ইচ্ছা হ্রাস পাওয়া, শ্রান্তি ও বিরক্তিবোধ বৃদ্ধি পাওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ কাজ করার ফলে সৃষ্ট মানসিক অবস্থা। কর্মভার নিরসনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম একটি হলো কর্ম-বিরতি। ব্যক্তির কর্ম ক্লান্তি দূর করা এবং কর্মক্ষমতা সংরক্ষণের জন্য কর্মবিরতির আবশ্যকতা অনস্বীকার্য। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে কর্ম বিরতির ফলে যে সময় ব্যয় হয় তাদের উৎপাদন হ্রাস পায় না বরং উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সুতরাং কর্ম-বিরতির মাধ্যমে কর্মভার নিরসন করা সম্ভব পাশাপাশি উৎপাদনও বাড়ানো সম্ভব।
দৃশ্যকল্প-১ এর 'AA^{\prime} চিহ্নিত অংশটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A চিহ্নিত অংশটি হলো দৈহিক কর্মভার। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- দৈহিক কর্মভারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর ফলে কতগুলো শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে যেগুলো ব্যক্তি নিজে এবং অন্যরাও প্রত্যক্ষ করতে বা পরিমাপ করতে পারে। কিন্তু সব ধরনের কর্মভারের দৈহিক উপসর্গ থাকে না। যেমন- হালকা শারীরিক পরিশ্রমের ফলে যে কর্মফল সৃষ্টি হয় তাতে তেমন কোনো শারীরিক পরিবর্তন ঘটে না। কর্মভারের ফলে সাধারণত যে সকল দৈহিক লক্ষণ সমূহ দেখা যায় তা হলো শরীর অবশ লাগা, তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া, মাথা ভার ভার লাগা ও ব্যথা করা, হাই তোলা, চোখে ব্যথা অনুভব করা, দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হওয়া, শুয়ে পড়তে ইচ্ছা করা, তৃষ্ণা অনুভব করা, কাজের প্রতি মন্থর হওয়া, শরীর ঘামানো, হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বেড়ে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া প্রভৃতি।
মানসিক চাপ, মোকাবেলায় দৃশ্যকল্প-২ এ যে কৌশলগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

মানসিক চাপ মোকাবেলায় দৃশ্যকল্প ২ এ যে কৌশলগুলোর কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো অবদমন, কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন। অবদমন: তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক নীতি বিরোধী কাজগুলো আমাদের নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজকে অবদমন বলে। কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন: ব্যর্থ ও আশাহত ব্যক্তির কল্পনায় সাফল্য অর্জন বা কাঙ্খিত বস্তু লাভ করা সম্পর্কে সুখকর চিন্তা করা এবং মানসিক প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলাকে কল্পকথা ও দিবাস্বপ্ন বলে। যে সকল ইচ্ছা বাস্তবে তৃপ্ত হয় না সেগুলোকে কল্পনা বা দিবাস্বপ্নের মাধ্যমে ব্যক্তি আংশিকভাবে তৃপ্ত করার চেষ্টা করে থাকে। অবদমিত বাসনাকে তৃপ্তি দানের এই কৌশল খুবই সহজ এবং সকলেরই আয়ত্বাধীন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় দিবা তার পছন্দের দুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। সে কোন বিষয়ে ভর্তি হবে বুঝতে পারছে না। অন্যদিকে শাড়ির দোকানে গিয়ে তুলির একটা শাড়ি খুবই পছন্দ হলো, কিন্তু শাড়ির দাম অনেক বেশি।

Jessore · 2025

মানসিক চাপ কী?

উত্তর

রোজেন এবং গ্রেগরী এর মতে- “জৈবিক বা মানসিক, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ, অনিষ্টকর বা বঞ্চনাকর যে কোনো উদ্দীপকের কারণে সংগতিবিধান সম্পর্কিত অসুবিধাকেই মানসিক চাপ বলা হয়।”
চাপ হ্রাসে সামাজিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

একজন ব্যক্তির জীবনে চাপ উপস্থিত হলে সে যদি পুরোপুরি সামাজিক সহায়তা পায় তবে চাপের মাত্রা কমে আসে। ব্যক্তি যদি বিবাহিত হয় তবে তার অনেক আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধব থাকে। চাপমূলক অবস্থার সম্মুখীন হলে ব্যক্তি তাদের সমর্থন পায় এবং ভেঙে না পড়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে এবং গ্রহণযোগ্য আচরণ করে থাকে। আবার একজন মেধাবী ছাত্র বা ভালো ছাত্রনেতার অনেক বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী থাকে। তাদের কেউ চাপের শিকার হলে ছাত্র, শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন রাজনৈতিক নেতা সকলে এগিয়ে আসে তাদের সহায়তা বা সমর্থন দানের জন্য। এভাবে সমাজ থেকে সহায়তা লাভের মাধ্যমে চাপ মোকাবেলা করা সম্ভব।
চিত্রটির 'AA^{\prime} ব্যাখ্যা কর।-

উত্তর

উদ্দীপকে চিত্রটির অংশ অসহায়ত্ব বা হতাশাকে নির্দেশ করে। মরগান কিং ও তার সহযোগীগণের মতে- "একটি লক্ষ্যবস্তুর দিকে পরিচালিত আচরণ বাধাপ্রাপ্ত হলে তাকে হতাশা বলে।" অসহায়ত্ব বা হতাশার উৎস বিভিন্ন রকমের হতে পারে- ১. পরিস্থিতিমূলক উৎস, ২. আন্তঃব্যক্তিক উৎস, ৩. ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস ১. পরিস্থিতিমূলক উৎস যে সকল পরিবেশ বা পরিস্থিতিমূলক অবস্থা হতাশার সৃষ্টি করে থাকে সেই অবস্থাকে বলে হতাশার পরিস্থিতিমূলক উৎস। এ সকল পরিস্থিতি সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনা থেকে উদ্ভূত হয়ে থাকে। তবে কেবলমাত্র প্রাকৃতিক ঘটনাই নয় বরং রাষ্ট্রীয় বা প্রশাসনিক ঘটনাগুলোও এ ধরনের উৎসের সৃষ্টি করতে পারে। ২. আন্তঃব্যক্তিক উৎস: বিভিন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্কজনিত প্রতিবন্ধকতা থেকেও হতাশার জন্ম হতে পারে। এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দ্বারা অথবা কোন দলীয় চাপের দ্বারা চাহিদা পূরণে বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে তখন হতাশা দেখা দেয়। ৩. ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস হতাশা সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তির একান্ত ব্যক্তিগত কারণগুলোকেই ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস বলা যায়। এ উৎসগুলো শারীরিক অথবা মানসিক অবস্থা থেকে উদ্ভূত হয়।
দিবা ও তুলির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দ্বন্দ্বগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দিবা ও তুলির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দ্বন্দ্বগুলো হলো যথাক্রমে আকর্ষণ আকর্ষণ দ্বন্দ্ব ও আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব। নিচে দ্বন্দ্বদ্বয়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- যখন আমাদের সামনে দুটি সমান আকর্ষণীয় বস্তু থাকে এবং সেখান থেকে একটি গ্রহণ করতে হবে তখন আমরা আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই। এ ধরনের দ্বন্দ্বে দুটি ধনাত্মক লক্ষ্যবস্তু থাকে এবং দুটি লক্ষ্যবস্তুই একই সাথে সমান আকর্ষণীয়। অন্যদিকে, আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব সচরাচর ঘটে থাকে। কিন্তু এর সমাধান খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে, লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয় কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋনাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত থাকে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে। উদ্দীপকে দেখা যায়, দিবা তার পছন্দের দুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে কোনটিতে ভর্তি হবে তা বুঝতে পারছে না। এক্ষেত্রে তার মধ্যে আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে শাড়ির দোকানে গিয়ে তুলির একটি শাড়ি পছন্দ হলো। কিন্তু শাড়িটির দাম অনেক বেশি এক্ষেত্রে তুলির মধ্যে যে দ্বন্দ্বটি সৃষ্টি হয়েছে তা হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় দিবা তার পছন্দের দুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। সে কোন বিষয়ে ভর্তি হবে বুঝতে পারছে না। অন্যদিকে শাড়ির দোকানে গিয়ে তুলির একটা শাড়ি খুবই পছন্দ হলো, কিন্তু শাড়ির দাম অনেক বেশি।

Jessore · 2025

মানসিক চাপ কী?

উত্তর

রোজেন এবং গ্রেগরী এর মতে- “জৈবিক বা মানসিক, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ, অনিষ্টকর বা বঞ্চনাকর যে কোনো উদ্দীপকের কারণে সংগতিবিধান সম্পর্কিত অসুবিধাকেই মানসিক চাপ বলা হয়।”
চাপ হ্রাসে সামাজিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

একজন ব্যক্তির জীবনে চাপ উপস্থিত হলে সে যদি পুরোপুরি সামাজিক সহায়তা পায় তবে চাপের মাত্রা কমে আসে। ব্যক্তি যদি বিবাহিত হয় তবে তার অনেক আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধব থাকে। চাপমূলক অবস্থার সম্মুখীন হলে ব্যক্তি তাদের সমর্থন পায় এবং ভেঙে না পড়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে এবং গ্রহণযোগ্য আচরণ করে থাকে। আবার একজন মেধাবী ছাত্র বা ভালো ছাত্রনেতার অনেক বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী থাকে। তাদের কেউ চাপের শিকার হলে ছাত্র, শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন রাজনৈতিক নেতা সকলে এগিয়ে আসে তাদের সহায়তা বা সমর্থন দানের জন্য। এভাবে সমাজ থেকে সহায়তা লাভের মাধ্যমে চাপ মোকাবেলা করা সম্ভব।
চিত্রটির 'AA^{\prime} ব্যাখ্যা কর।-

উত্তর

উদ্দীপকে চিত্রটির অংশ অসহায়ত্ব বা হতাশাকে নির্দেশ করে। মরগান কিং ও তার সহযোগীগণের মতে- "একটি লক্ষ্যবস্তুর দিকে পরিচালিত আচরণ বাধাপ্রাপ্ত হলে তাকে হতাশা বলে।" অসহায়ত্ব বা হতাশার উৎস বিভিন্ন রকমের হতে পারে- ১. পরিস্থিতিমূলক উৎস, ২. আন্তঃব্যক্তিক উৎস, ৩. ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস ১. পরিস্থিতিমূলক উৎস যে সকল পরিবেশ বা পরিস্থিতিমূলক অবস্থা হতাশার সৃষ্টি করে থাকে সেই অবস্থাকে বলে হতাশার পরিস্থিতিমূলক উৎস। এ সকল পরিস্থিতি সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনা থেকে উদ্ভূত হয়ে থাকে। তবে কেবলমাত্র প্রাকৃতিক ঘটনাই নয় বরং রাষ্ট্রীয় বা প্রশাসনিক ঘটনাগুলোও এ ধরনের উৎসের সৃষ্টি করতে পারে। ২. আন্তঃব্যক্তিক উৎস: বিভিন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্কজনিত প্রতিবন্ধকতা থেকেও হতাশার জন্ম হতে পারে। এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দ্বারা অথবা কোন দলীয় চাপের দ্বারা চাহিদা পূরণে বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে তখন হতাশা দেখা দেয়। ৩. ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস হতাশা সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তির একান্ত ব্যক্তিগত কারণগুলোকেই ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ উৎস বলা যায়। এ উৎসগুলো শারীরিক অথবা মানসিক অবস্থা থেকে উদ্ভূত হয়।
দিবা ও তুলির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দ্বন্দ্বগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দিবা ও তুলির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দ্বন্দ্বগুলো হলো যথাক্রমে আকর্ষণ আকর্ষণ দ্বন্দ্ব ও আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব। নিচে দ্বন্দ্বদ্বয়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- যখন আমাদের সামনে দুটি সমান আকর্ষণীয় বস্তু থাকে এবং সেখান থেকে একটি গ্রহণ করতে হবে তখন আমরা আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই। এ ধরনের দ্বন্দ্বে দুটি ধনাত্মক লক্ষ্যবস্তু থাকে এবং দুটি লক্ষ্যবস্তুই একই সাথে সমান আকর্ষণীয়। অন্যদিকে, আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব সচরাচর ঘটে থাকে। কিন্তু এর সমাধান খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে, লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয় কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋনাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত থাকে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে। উদ্দীপকে দেখা যায়, দিবা তার পছন্দের দুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে কোনটিতে ভর্তি হবে তা বুঝতে পারছে না। এক্ষেত্রে তার মধ্যে আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে শাড়ির দোকানে গিয়ে তুলির একটি শাড়ি পছন্দ হলো। কিন্তু শাড়িটির দাম অনেক বেশি এক্ষেত্রে তুলির মধ্যে যে দ্বন্দ্বটি সৃষ্টি হয়েছে তা হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: প্রত্যেক ব্যক্তিই মানসিক চাপ মোকাবেলায় সচেতন বা উদাহরণস্বরূপ: অবচেতনে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকে। উদাহ আমাদের অতৃপ্ত কামনা বাসনা বা দুঃখমূলক স্মৃতিতে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে মনের গহীনে চাপা দিয়ে থাকি। আবার অনেক সময় আমাদের ব্যর্থতা বা ভুল কৃতকর্মকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উদ্ভট যুক্তি উপস্থাপনে নিজেকে রক্ষা করতে চাই। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন আত্মরক্ষামূলক কৌশল।

Dhaka · 2025

মানসিক চাপ কী?

উত্তর

রোজেন এবং গ্রেগরী এর মতে- "জৈবিক বা মানসিক, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ, অনিষ্টকর বা বঞ্চনাকর যে কোনো উদ্দীপকের কারণে সংগতিবিধান সম্পর্কিত অসুবিধাকেই মানসিক চাপ বলা হয়।"
অসহায়ত্ব ক্ষতিকর কেন?

উত্তর

মানুষের রয়েছে বহু সংখ্যক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। মানুষ নানাভাবে তার এসব লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করে। আবার এ লক্ষ্যগুলো সময়ে সময়ে তার সংখ্যা, রূপ ও প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটায়। এসব লক্ষ্য অর্জনে মানুষ সদা সচেষ্ঠ থাকে। কিন্তু বাস্তব ও প্রাকৃতিক কারণে সব সময় লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয় না। বিভিন্ন কারণে লক্ষ্য অর্জনের বাধা সৃষ্টি হয়। এভাবে কোন লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থ হলে মানুষের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। তাই এভাবে বারবার অসহায়ত্বের শিকার হলে ব্যক্তি এক ধরনের মানসিক পশ্চাৎপদতায় চলে যায়। এই পশ্চাদপদতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে নানা রকম ভাবে। যা একত্রে হতাশা নামে বিবেচিত হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বটি হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব। আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব সচরাচর ঘটে থাকে, কিন্তু এর সমাধান খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে; লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয়; কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋনাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত রাখে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ বলা যাক, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরে একজন ব্যক্তি একটি চাকুরি পেল, চাকরিটির বেতন ভালো কিন্তু চাকরি স্থল বাড়ি থেকে অনেক বেশি দূরে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির মধ্যে আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখিত আত্মরক্ষামূলক কৌশলগুলো বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

যদৃশ্যকল্প-২ এ আত্মরক্ষামূলক কৌশলগুলো হলো অবদমন ও অপব্যাখ্যান বা যুক্তিশুদ্ধকরণ। নিচে কৌশলগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- অবদমন: তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক নীতি বিরোধী কাজগুলো আমাদের নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজকে অবদমন বলে। অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ: নিজের ব্যর্থতা ও অক্ষমতা থেকে উদ্ভুত ত পীড়াদায়ক গ্লানির কবল থেকে মুক্তি লাভের জন্য ব্যক্তি অপব্যাখ্যার কৌশল ব্যবহার করে। এ কৌশলের মাধ্যমে ব্যক্তি তার অহম বোধকে অক্ষুণ্ণ রাখে এবং ব্যর্থতার গ্লানি থেকে মুক্তি লাভ করে। অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের অক্ষমতাকে ঢাকবার জন্য যুক্তাভ্যাসের আশ্রয় নিয়ে অন্যের চোখে আমাদের আত্মমর্যাদা রক্ষা করার চেষ্টা করি। শৃগাল ও আঙ্গুর ফল টক এর গল্প অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২: প্রত্যেক ব্যক্তিই মানসিক চাপ মোকাবেলায় সচেতন বা উদাহরণস্বরূপ: অবচেতনে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকে। উদাহ আমাদের অতৃপ্ত কামনা বাসনা বা দুঃখমূলক স্মৃতিতে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে মনের গহীনে চাপা দিয়ে থাকি। আবার অনেক সময় আমাদের ব্যর্থতা বা ভুল কৃতকর্মকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উদ্ভট যুক্তি উপস্থাপনে নিজেকে রক্ষা করতে চাই। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন আত্মরক্ষামূলক কৌশল।

Dhaka · 2025

মানসিক চাপ কী?

উত্তর

রোজেন এবং গ্রেগরী এর মতে- "জৈবিক বা মানসিক, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ, অনিষ্টকর বা বঞ্চনাকর যে কোনো উদ্দীপকের কারণে সংগতিবিধান সম্পর্কিত অসুবিধাকেই মানসিক চাপ বলা হয়।"
অসহায়ত্ব ক্ষতিকর কেন?

উত্তর

মানুষের রয়েছে বহু সংখ্যক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। মানুষ নানাভাবে তার এসব লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করে। আবার এ লক্ষ্যগুলো সময়ে সময়ে তার সংখ্যা, রূপ ও প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটায়। এসব লক্ষ্য অর্জনে মানুষ সদা সচেষ্ঠ থাকে। কিন্তু বাস্তব ও প্রাকৃতিক কারণে সব সময় লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয় না। বিভিন্ন কারণে লক্ষ্য অর্জনের বাধা সৃষ্টি হয়। এভাবে কোন লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থ হলে মানুষের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। তাই এভাবে বারবার অসহায়ত্বের শিকার হলে ব্যক্তি এক ধরনের মানসিক পশ্চাৎপদতায় চলে যায়। এই পশ্চাদপদতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে নানা রকম ভাবে। যা একত্রে হতাশা নামে বিবেচিত হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বটি হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব। আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব সচরাচর ঘটে থাকে, কিন্তু এর সমাধান খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে; লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয়; কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋনাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত রাখে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ বলা যাক, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরে একজন ব্যক্তি একটি চাকুরি পেল, চাকরিটির বেতন ভালো কিন্তু চাকরি স্থল বাড়ি থেকে অনেক বেশি দূরে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির মধ্যে আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখিত আত্মরক্ষামূলক কৌশলগুলো বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

যদৃশ্যকল্প-২ এ আত্মরক্ষামূলক কৌশলগুলো হলো অবদমন ও অপব্যাখ্যান বা যুক্তিশুদ্ধকরণ। নিচে কৌশলগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- অবদমন: তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক নীতি বিরোধী কাজগুলো আমাদের নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজকে অবদমন বলে। অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ: নিজের ব্যর্থতা ও অক্ষমতা থেকে উদ্ভুত ত পীড়াদায়ক গ্লানির কবল থেকে মুক্তি লাভের জন্য ব্যক্তি অপব্যাখ্যার কৌশল ব্যবহার করে। এ কৌশলের মাধ্যমে ব্যক্তি তার অহম বোধকে অক্ষুণ্ণ রাখে এবং ব্যর্থতার গ্লানি থেকে মুক্তি লাভ করে। অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের অক্ষমতাকে ঢাকবার জন্য যুক্তাভ্যাসের আশ্রয় নিয়ে অন্যের চোখে আমাদের আত্মমর্যাদা রক্ষা করার চেষ্টা করি। শৃগাল ও আঙ্গুর ফল টক এর গল্প অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো