পণ্যের ধরন ও বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় ১নং ও ২নং বণ্টনপ্রণালিটির মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান।
১নং বণ্টনপ্রণালি মোতাবেক পাইকার ক্রয়কৃত পণ্যগুদামে সংরক্ষণ করে প্রমিতকরণ, পর্যায়িতকরণ ও পরিবহনের মাধ্যমে খুচরা বিক্রেতার কাছে প্রেরণ করে। খুচরা বিক্রেতা অল্প পরিমাণে পণ্য ক্রয় করে সাধারণ বা প্রকৃত ভোক্তার কাছে বিক্রয় করে।উৎপাদনকারিগণ অনেক সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে এজেন্ট বা প্রতিনিধি নিয়োগ করে তাদের মাধ্যমে সরাসরি ভোক্তাদের নিকট শিল্পসামগ্রী বিক্রয় করে থাকে। বিভিন্ন প্রকার ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী যেমন- টিভি, ফ্রিজ, ফ্যান এবং কৃষি উপকরণ সার, বীজ, কীটনাশক এ পদ্ধতিতে বিপণন হয়ে থাকে।
উদ্দীপকের ২নং বণ্টনপ্রণালি হলো:
উৎপাদনকারী → প্রতিনিধি বা এজেন্ট → ভোক্তা
এক্ষেত্রে শিল্পপণ্য কিংবা কৃষি উপকরণ উৎপাদনকারী এজেন্টের নিকট পণ্য প্রেরণ করে। আর এজেন্টের নিকট থেকে ভোক্তা পণ্য পেয়ে থাকে। এতে অন্য কোনো মধ্যস্থ ব্যবসায়ী নেই। তাই তারা কম মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারে।বণ্টনপ্রণালিতে মধ্যস্থতাকারী বেশি হলে দামও বেশি হবে। সর্বশেষ ভোক্তাকে অধিক মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে হবে। মধ্যস্থ ব্যবসায়ী না থাকায় পণ্যের বিক্রয়মূল্যও নির্ধারিত হয় উৎপাদনকারী কর্তৃক। ফলে গ্রাহকরা কম মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারায় লাভবান হচ্ছেন। সুতরং পণ্যের বিবেচনায় ২নং বণ্টনপ্রণালির (এজেন্টের মাধ্যমে বিক্রয়) কার্যকারিতা অত্যধিক।