উদ্দীপকে জনাব জামিল ও রতনের নেতৃত্বের ধরন বিবেচনায় আমার নিকট গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অধিক গ্রহণযোগ্য।যে নেতৃত্ব ব্যবস্থায় নেতা অধস্তনদের সাথে আলোচনা করেন, তাদের পরামর্শ গ্রহণ করেন, তথ্য সংগ্রহ করেন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে।অপরদিকে, যে নেতৃত্ব ব্যবস্থায় নেতা শুধু আদেশ করেন কিন্তু কোনো জবাবদিহি করেন না, তাকে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে।উদ্দীপকের জনাব জামিল এবং রতন দুই বন্ধু আলাদা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক। জামিল কর্মীদের আদেশ দেন কিন্তু জবাবদিহি করেন না এবং সবসময় নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। অপর দিকে, রতন কর্মীদের সাথে পরামর্শ করেন এবং বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। তিনি কর্মীদের প্রশ্ন করেন এবং জবাবদিহিতা আশা করেন।এখানে দেখা যাচ্ছে, জনাব জামিল স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করছেন এবং রতন গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করছেন।স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বে কর্মীরা সবসময় চাপের মধ্যে থাকেন এবং তাদের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করা হয়। ফলে কর্মীরা তাদের প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করে ভালোবাসতে পারেন না। অপরদিকে, গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে কর্মীদের প্রশ্ন এবং পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে কর্মীরা যেমন জবাবদিহিতা করেন তেমনি নেতাও কর্মীদের নিকট জবাবদিহি করেন। এসব কারণে কর্মীরা প্রতিষ্ঠানকে নিজের ভেবে কাজ করতে পারেন। মূলত এসব কারণেই আমার নিকট জামিলের স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের তুলনায় রতনের গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অধিক গ্রহণযোগ্য।