জনাব রিপনের কার্যক্রমে ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি ফুটে উঠেছে।
নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে অন্যদের দ্বারা কোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে করিয়ে নেওয়ার কৌশলকে ব্যবস্থাপনা বলে। ব্যবস্থাপনা হলো কতকগুলো ধারাবাহিক কাজের সমষ্টি। ব্যবস্থাপনার এই মৌলিক কাজগুলো পরিকল্পনার মাধ্যমে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে চলতে চলতে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শেষ হয়।
উদ্দীপকের জনাব রিপন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কে কোন কাজ কখন কীভাবে করবে তা সুনির্দিষ্ট করে দেন। অতঃপর তিনি কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, সঠিকভাবে কাজ করা কর্মীদের পুরস্কারের ব্যবস্থা করেন। আবার কোনো কাজ সঠিকভাবে না করলে তা অনুসন্ধান করে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বর্তমানে রিপন একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন।
একটি দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রেই ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ব্যবস্থাপনা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে ও সর্বাধিক দক্ষতার সাথে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের প্রয়াস চালানো হয়। উদ্দীপকের জনাব রিপন এমন একজন ব্যক্তি যিনি ব্যবস্থাপনার প্রত্যেক কাজ যেমন-পরিকল্পনা, কর্মীসংস্থান, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি যথোপযুক্তভাবে ব্যবহার করেন। যে কারণে তিনি একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে আমি মনে করি।