উদ্দীপকের প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায়টি হলো একমালিকানা ব্যবসায় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যবসায়টি অংশীদারি ব্যবসায়।একজন ব্যক্তির মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়কে একমালিকানা ব্যবসায় বলে। অপরদিকে, মুনাফা অর্জনের উদ্দেশে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্কের মাধ্যমে যে ধরনের ব্যবসায় গঠিত হয়, তাকে অংশীদারি ব্যবসায় বলে।উদ্দীপকের জনাব রকি নিজ উদ্যোগে একটি ব্যবসায় গঠন করেন এবং নিজেই পরিচালনা করেন। ব্যবসায়ের লাভ-ক্ষতি নিজেকেই বহন করতে হয়। অপরদিকে শফিক, রফিক এবং বরকত তিন বন্ধু চুক্তিবদ্ধ হয়ে সমহারে মূলধন নিয়ে ব্যবসায় গঠন করেন। দেখা যাচ্ছে, ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য বিবেচনায়, জনাব রকির ব্যবসায়টি একমালিকানা ব্যবসায় এবং অপর তিন বন্ধুর ব্যবসায়টি হলো অংশীদারি ব্যবসায়।একমালিকানা ব্যবসায় ও অংশীদারি ব্যবসায়ের মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য বিদ্যমান। একমালিকানা ব্যবসায় একজন ব্যক্তির মালিকানায় গঠিত এবং পরিচালিত হলেও অংশীদারি ব্যবসায় দুই বা ততোধিক ব্যক্তির চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে উঠে। একমালিকানা ব্যবসায়ের লাভ-লোকসান মালিক একাই বহন করেন। অপরদিকে, অংশীদারি ব্যবসায়ের লাভ-লোকসান অংশীদারগণ চুক্তির ভিত্তিতে বণ্টন করেন। একমালিকানা ব্যবসায় ক্ষুদ্র এবং সীমিত পরিসরে গঠিত হলেও অংশীদারি ব্যবসায় তুলনামূলক বৃহৎ এবং বেশি সক্ষমতা নিয়ে গঠিত ও পরিচালিত হয়। একমালিকানা ব্যবসায়ে মালিক নিজেই সর্বেসর্বা। কিন্তু অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি হলো অংশীদারদের মধ্যকার চুক্তিপত্র। এক্ষেত্রে চুক্তি মৌখিক বা লিখিত যেকোনোভাবেই হতে পারে।