উদ্দীপকের সমবায় সংগঠনটির মূলনীতি হলো একতাই বল, সাম্য, পারস্পরিক সহযোগিতা, আস্থা ও বিশ্বাস এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চেতনা।অন্যান্য ব্যবসায় সংগঠন থেকে ভিন্ন আদর্শ ও উদ্দেশ্য নিয়ে সমবায় সংগঠন গড়ে ওঠে। সাধারণত সমশ্রেণি ও 'সমপেশাভুক্ত নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও বিত্তহীন সমাজের মানুষেরা প্রথমত নিজেদের আর্থসামাজিক কল্যাণের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের সংগঠন গড়ে তোলে।উদ্দীপকে কুড়িগ্রাম জেলার একটি অঞ্চলের সবজি ব্যবসায়ীরা মিলে নিজেদের আর্থসামাজিক কল্যাণসাধনের উদ্দেশ্যে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে সংগঠনটিকে কেন্দ্রীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের জন্য তারা ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে কাজ করেন। এজন্য তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সবজি ব্যবসায়ীদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছেন। তাদের এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগঠনটির মূলনীতিগুলো প্রতিফলিত হচ্ছে।সমবায়ের প্রধান নীতিই হচ্ছে সমমনা, সমপেশা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে সমশ্রেণির লোকদের একতা। এর গুরুত্বপূর্ণ নীতি হচ্ছে সাম্য বা সকলের সমান অবস্থান ও অংশগ্রহণ। আরেকটি নীতি হলো সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। সেই সাথে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চেতনা সমবায়ের মূলনীতিকে করেছে আরও দৃঢ় ও মজবুত। এসব মূলনীতির ছায়াতলে সমবায় সমিতি তার সংগঠনের সদস্যদের পারস্পরিক কল্যাণসাধনে কাজ করে থাকে।