উদ্দীপকে প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায় সংগঠনটির ধরন হলো যৌথমূলধনি কোম্পানির অন্তর্গত প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।কতিপয় ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে কোম্পানি আইনের অধীনে যে সংগঠন গড়ে তোলে তাকে যৌথমূলধনী কোম্পানি বলে। যৌথমূলধনি কোম্পানির দুই প্রকার; যথা- প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি এবং পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। এক্ষেত্রে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির সদস্যসংখ্যা ২-৫০ জনে সীমাবদ্ধ, দায় সীমিত এবং নিবন্ধনপত্র পাওয়ার, পরপর কার্যক্রম শুরু করতে পারে।উদ্দীপকের শেফাউল ও তার শিক্ষিত আট বন্ধু মিলে সীমিত দায়বিশিষ্ট একটি সংগঠন গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং নিবন্ধনপত্র পেয়েই তারা কাজ শুরু করে। এখানে দেখা যাচ্ছে, শেফাউল এবং তার বন্ধুরা মিলে যে সংগঠন গড়ে তুলেছে, তার সাথে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায়টি হলো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।