উদ্দীপকের 'সবুজ সংঘ' সংগঠনটির ধরন হলো সমবায় সমিতি।পুঁজিবাদের বিকাশে একদিকে মালিক সমাজের ব্যাপক বিত্ত-বৈভব অন্যদিকে সাধারণ শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের দুর্ভোগের প্রেক্ষিতেই সমবায়ের উদ্ভব।সাধারণভাবে কতিপয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ব্যক্তি নিজেদের আর্থিক উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য স্বেচ্ছায় মিলিত হয়ে যে সমিতি গঠন করে তাকে সমবায় সমিতি বলে। শিল্পবিপ্লব ও প্রযুক্তিনির্ভর বৃহদায়তন ব্যবসায় সংগঠনের বিকাশের ফলে পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার ভিত মজবুত হতে থাকে। এর প্রভাবে সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্যও দেখা দিতে থাকে। পুঁজিবাদী সমাজের সৃষ্ট এ জাতীয় অর্থনৈতিক বৈষম্য ও দুরবস্থা থেকে মুক্তির প্রয়াসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সমবায় সংগঠন গড়ে ওঠে।উদ্দীপকের শিমুলতলী গ্রামের আখ চাষিগণ তাদের আর্থসামাজিক অবস্থায় উন্নতির জন্য 'সবুজ সংঘ' নামক একটি ব্যবসায় সংগঠন গঠন করেন। উক্ত সংগঠনটির সদস্যসংখ্যা, গণতান্ত্রিক নীতি অনুসরণ, সাম্য, পারস্পরিক সহযোগিতা, সমমনা ও সমপেশা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যগুলো হুবহু সমবায় সমিতির বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে যায়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যবসায় সংগঠনটির ধরন হলো সমবায় সমিতি।