উদ্দীপকে 'সৌখিন' প্রকল্প গ্রহণের সঠিক পন্থা অর্থাৎ মাইক্রোস্ক্রিনিং এর উপাদানগুলো অনুসরণ করেছে, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মাইক্রোস্ক্রিনিং হলো বাজার চাহিদা, কারিগরি, বাণিজ্যিক ও আর্থিক দিক এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান ইত্যাদি দিক বিবেচনা করে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করার বিস্তারিত প্রক্রিয়া। উৎপাদনমুখী ব্যবসায়ের প্রকল্প নির্বাচনের ক্ষেত্রে এমন স্ক্রিনিং-এর আবশ্যকতা রয়েছে।
উদ্দীপকে জনাব আতিকা 'সৌখিন' নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করতে চায়। এজন্য সে স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের রুচি ও একই পণ্য বিদ্যমান আছে কিনা তা যাচাই করেন। এছাড়া উক্ত পণ্য উৎপাদন করতে কী ধরনের যন্ত্রপাতি প্রয়োজন এবং যন্ত্রপাতি ক্রয় করতে কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন ও কতজন লোক নিয়োগ দিতে হবে তা বিবেচনায় নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে তিনি প্রকল্পটি গ্রহণ করে সফলতা লাভ করেছেন।
উদ্দীপকে জনাব আতিফা প্রকল্প গ্রহণে মাইক্রোস্ক্রিনিং পদ্ধতিটি বিবেচনা করেছেন। এরূপ পদ্ধতির উপাদানগুলো হলো: বাজার চাহিদা, কারিগরি দিক, বাণিজ্যিক দিক ও আর্থিক দিক ইত্যাদি। আতিফা তার প্রকল্পটি গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এ সবগুলো উপাদান বিবেচনা করেন এবং সে অনুযায়ী প্রকল্পটি গ্রহণ করে সফল হন। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকে 'সৌখিন' প্রকল্প গ্রহণের সঠিক পন্থা অর্থাৎ মাইক্রোস্ক্রিনিং এর উপাদানগুলো অনুসরণ করেছে, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।