ডাইং কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমে পানি দূষিত হবে, যা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে।
শিল্পবর্জ্য, রাসায়নিক দ্রব্য ও ময়লা-আবর্জনা পানিতে দ্রবীভূত হয়ে পানির যে দূষণ হয় তাকে পানি দূষণ বলে। শিল্পকারখানা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে পানিকে দূষিত করে। খনিজ পদার্থ, কারখানার বর্জ্য, সালফার, তামা, সীসা, নাইট্রেট, ফসফেট, মানুষের বর্জ্য ও ময়লা পানি নদী ও সমুদ্রের তলদেশে ভরাট প্রভৃতি কারণে পানি দূষিত হয়।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মেঘনা নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে প্রাকৃতিক সুবিধায় মাছ চাষ করে চাষিরা স্বাবলম্বী। কিন্তু চাষিদের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যাও জানা গেছে। তারা বললেন শুকনো মৌসুমে বিভিন্ন ডাইং কোম্পানিগুলো তাদের শিল্পবর্জ্য নদীতে ছেড়ে দেয়। তাই তারা সেই সময় মাছ চাষ বন্ধ রাখেন। এরূপ পরিস্থিতিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে মাছের অস্তিত্ব হুমকির মধ্যে পড়বে বলে চাষিরা মনে করেন।
সুস্থতার জন্য দূষণমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বিস্তারের ফলে বিভিন্নভাবে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। দূষিত পরিবেশ মানুষের জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করছে। উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠানটিই এর প্রমাণ। কারণ উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি তাদের কারখানার বর্জ্য নদীতে ফেলছে। এতে করে নদী মারাত্মকভাবে দূষিত হবে। যার ফলে নদীতে কোনো ধরনের মাছ পাওয়া যাবে না। আবার নদীর পানি ব্যবহার করার ফলে মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রোগ-ব্যাধি দেখা দিবে। তাই আমি মনে করি, ডাইং কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমে পানি দূষিত হবে এবং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে।