উদ্দীপকে জনাব মশিউর রহমানের শ্রমকে মানসিক শ্রম বলে অভিহিত করা যায়।
কোন ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রমকে মানসিক শ্রম বলে। অর্থাৎ মানবিক শ্রমের ক্ষেত্রের শারীরিক কষ্ট কম হবে এক্ষেত্রে মানুষ মেধা দিয়ে বেশি চিন্তা করবে। মানুষের সারাদিনের কর্মপরিকল্পনা কি হবে তা সে মেধা দিয়ে চিন্তা করে ঠিক করবে আর শরীর দিয়ে তা বাস্তবায়ন করবে।অনেক শারীরিক পরিশ্রমের কাজ মানসিক শ্রম দিয়ে অল্প সময়ে করা যায়। তবে বিষয়টি এমন নয় যে, যারা মানসিক শ্রম দেয় তাদের কোন শারীরিক পরিশ্রম হয় না। তাদেরও শারীরিক পরিশ্রম হয় তবে খুবই কম যেমন: ডাক্তার রোগী দেখেন এখানে তার মানসিক শ্রম মুখ্য তবে রোগের তথ্য সংগ্রহ, ফাইল তৈরি,তথ্য সংরক্ষণ ইত্যাদি সামান্য শারীরিক শ্রম রয়েছে।
উদ্দীপকে জনাব মশিউর একজন স্বনামধন্য উকিল। মামলা সংক্রান্ত বিষয়াদি তিনি নিজেই দেখাশোনা করেন। মক্কেলদের তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। জনাব মশিউর ব্রেন দিয়ে কাজ করেন কারণ এখানে বুদ্ধি দিয়ে মামলা জয়লাভ করতে হয়। বুদ্ধির খেলায় এ পেশার চেয়ে যত পারারদর্শী তার পক্ষে মামলার জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব। শরীর দিয়ে সারাদিন পরিশ্রম করেও মামলায় জয়ী হওয়া যাবে না।
তাই বলা যায়, জনাব মশিউরের শ্রম কে বলা হবে মানসিক শ্রম।