উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. রবিন ও তার কয়েকজন বন্ধু দ্বারা গঠিত উৎপাদনধর্মী বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশি ভূমিকা রাখে। যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫০ কোটি টাকার বেশি এবং ৩০০ জনের বেশি শ্রমিক কর্মরত থাকে, তা-ই বৃহদায়তন শিল্প প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান দেশের অর্থনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদ্দীপকের মি. সজল ফ্যান উৎপাদনের একটি মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তার দেখাদেখি মি. রবিন কয়েকজন বন্ধু নিয়ে একটি ফ্যান কারখানা স্থাপন করেন। রবিনের প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১৪০ কোটি টাকা। এখানে ৩২৫ জন কর্মীও কর্মরত আছে। শিল্পনীতি ২০১৬-এ বর্ণিত উৎপাদনধর্মী বৃহদায়তন শিল্পের বৈশিষ্ট্যের সাথে মি. রবিনের ফ্যান কারখানাটির মূলধন ও শ্রমিক সংখ্যার সামঞ্জস্য আছে। মি. সজল ও মি. রবিন দুজনের প্রতিষ্ঠানই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। তবে রবিনের প্রতিষ্ঠানটি বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজ হওয়ায় এর উৎপাদনের পরিমাণ বেশি। ফলে এটি দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনে তুলনামূলক বেশি ভূমিকা রাখছে। তাছাড়া মি. রবিনের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক সংখ্যাও বেশি। এতে রবিনের প্রতিষ্ঠানটি সজলের প্রতিষ্ঠান থেকে দেশের কর্মসংস্থানে বেশি ভূমিকা রাখছে। তাই বলা যায়, মোট জাতীয় উৎপাদন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি প্রভৃতি বিবেচনায় মি. রবিনের বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানটি মি. সজলের প্রতিষ্ঠানের তুলনায় দেশের অর্থনীতিতে বেশি ভূমিকা রাখছে।