উৎপাদন মাত্রা নির্ধারণে স্বল্প ব্যয়ে বেশি পণ্য উৎপাদনই প্রধান না, এক্ষেত্রে উৎপাদন উপকরণের পর্যাপ্ততা, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, বাজার চাহিদা প্রভৃতি বিবেচনা করতে হয়। উৎপাদন মাত্রা নির্ধারণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান জানতে পারে কী পরিমাণ পণ্য উৎপাদনে তার মুনাফা হবে। তবে মাত্রা নির্ধারণের আগে ব্যবস্থাপকীয় দক্ষতা, উৎপাদন উপকরণসমূহের পর্যাপ্ততা ও মূল্য, বাজারে পণ্যের চাহিদা, পরিবহন ক্ষেত্রে জটিলতা প্রভৃতি বিবেচনা করতে হয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. অভি মনে করেন, বেশি পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করলে একক প্ৰতি খরচ কমে। তাই তিনি বাজার চাহিদাকে বিবেচনা না করেই মাত্রাতিরিক্ত পণ্য উৎপাদন করেছেন। তার বিশ্বাস ছিল উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব হলে পণ্যের ক্রেতার অভাব হবে না। কিন্তু এখন তার উৎপাদিত পণ্য অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে। বেশি পণ্য উৎপাদন করলে গড় ব্যয় কমে। তাই বলে বাজার যাচাই না করে বেশি মাত্রায় পণ্য উৎপাদন করা উচিত না। প্রথমে বাজার বিশ্লেষণের মাধ্যমে পণ্যের চাহিদা নির্ধারণ করা উচিত। তারপর বাজার চাহিদার ওপর ভিত্তি করে পণ্য উৎপাদনে মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। তাছাড়া মাত্রা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানে পণ্য উৎপাদনের ব্যবস্থাপকীয় দক্ষতা অভির আছে কিনা তাও বিবেচনা করতে হবে। উৎপাদনের উপকরণ ভূমি, শ্রম-এর মূল্য ও পর্যাপ্ততা কেমন উৎপাদন মাত্রা নির্ধারণে তা বিবেচনা করতে হয়। তাই বলা যায়, উৎপাদন মাত্রা নির্ধারণে উদ্দীপকের বিষয়টিই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় না ।