উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি কাম্য উৎপাদন মাত্রা ব্যবহার করে থাকে। সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ উৎপাদনকে কাম্য মাত্রার উৎপাদন বলে। এ ক্ষেত্রে উৎপাদনের সকল উপকরণ যেমনঃ যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ইত্যাদি এবং পরিচালন দক্ষতার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়। এর ফলে উৎপাদন প্রতি ব্যয় সর্বনিম্ন মাত্রায় এসে পৌঁছে। কাম্য উৎপাদন মাত্রা নির্ধারণে স্বল্প এবং দীর্ঘমেয়াদী খরচ বিবেচনায় আনা হয়।এক্ষেত্রে ভাড়া,যন্ত্রপাতি, অবচয়, সুদ,উৎপাদনের উপকরণ সমূহ (ভূমি, শ্রম,মূলধন এবং সংগঠন),পরিচালনার দক্ষতা, সম্পদের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে উৎপাদন কাম্য মাত্রায় আনা হয়।জনাব হাসান একটি উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের মালিক।প্রতিষ্ঠানটি মাসে সর্বাধিক মাসে ৫ হাজার একক উৎপাদন করতে পারে।প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ৪ হাজার পর্যন্ত পণ্য উৎপাদন করে। উৎপাদনের এ স্তরে একক প্রতি ব্যয় সর্বনিম্ন হয়।এ থেকে বোঝা যায়,প্রতিষ্ঠানটি কাম্য উৎপাদন মাত্রা ব্যবহার করে।কাম্য উৎপাদন মাত্রার মূল লক্ষই হলো সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ উৎপাদন করা এবং উৎপাদন এমন স্তরে রাখা যেখানে একক প্রতি ব্যয় সর্বনিম্ন হয়।