“মানসম্মত দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি সফলতা অর্জন করেছে”– বিষয়টিতে আমি একমত।
ক্রেতাদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষমতাসম্পন্ন পণ্যই হলো মানসম্মত পণ্য। অর্থাৎ যেসব পণ্য ভোক্তার চাহিদা মেটায়, সন্তুষ্টি বিধান করে এবং যার উপযোগিতা বা কার্যকারিতা ভোক্তার প্রত্যাশার সমান বা তার চেয়েও বেশি তাকে মানসম্মত পণ্য বলে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত সমবায় সমিতির দুগ্ধ খামারে উৎপাদিত দুধের মান অক্ষুণ্ণ রেখে প্যাকেটজাত তরল দুধ এবং মহিষের দুধের দধি দক্ষিনাঞ্চলের জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হয়। মানসম্মত দুধ ও দধি বিধায় এর চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে বিক্রয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে যা অধিক মুনাফা অর্জনে সহায়ক। এছাড়া মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের ফলে ক্রেতা-ভোক্তারা প্রতিষ্ঠানের প্রতি সন্তুষ্ট হয়। এতে ক্রেতারা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ক্রেতায় পরিণত হয়। এর ফলেও প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় বৃদ্ধি পায়, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জন হয়, ব্যবসায় সম্প্রসারণ সম্ভব হয় এবং অধিক মুনাফা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এসকল বিষয় একটি প্রতিষ্ঠানকে সফলতা অর্জনের দিকে ধাবিত করে। এক্ষেত্রে উদ্দীপকের খামারটিও সফলতা অর্জন করে বলেই নতুন নতুন খামার গড়ে তোলায় স্থানীয়রা উৎসাহিত হচ্ছে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত দুগ্ধ খামারটি মানসম্মত দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমেই সফলতা অর্জন করেছে বলে আমি মনে করি।