মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্যকে জাতীয় আয় বলে। একটি নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদনের উপাদানগুলো উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হয়ে যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিই হচ্ছে জাতীয় আয়।আমরা জানি, জাতীয় আয় (NI) = GNP-DC-Ti-Tp-Sg+ Sh দেয়া আছে,'ক' দেশের মোট দেশজ উৎপাদন ৫০ কোটি টাকা
অবচয় ব্যয় (DC) = ১৫ কোটি টাকা
পরোক্ষ কর (T) = ৫ কোটি টাকা
হস্তান্তর পাওনা (Tp) = ৫ কোটি টাকা
সরকারের উদ্বৃত্ত মুনাফা (S) = ২.৫ কোটি টাকা
এবং সরকারের প্রদত্ত ভর্তুকি (S) = ৭.৫ কোটি টাকা
সুতরাং, 'ক' দেশের জাতীয় আয় (NI) = (৫০-১৫-৫৫-২.৫ ৭.৫) কোটি টাকা = ৩০ কোটি টাকা।
আবার, 'খ' দেশের মোট দেশজ উৎপাদন ৭৫ কোটি টাকা অবচয় ব্যয় (DC) = ১৫ কোটি টাকা
পরোক্ষ কর (T) = ১০ কোটি টাকা
হস্তান্তর পাওনা (T,) = ১৫ কোটি টাকা
সরকারের উদ্বৃত্ত মুনাফা (S) = ৫ কোটি টাকা
এবং সরকারের প্রদত্ত ভর্তুকি (S) = ১০ কোটি টাকা
সুতরাং, 'খ' দেশের জাতীয় আয় (NI) = (৭৫-১৫-১০-১৫৫১০) কোটি টাকা = ৪০ কোটি টাকা।
... ক ও খ দেশের জাতীয় আয় যথাক্রমে ৩০ কোটি ও ৪০ কোটি টাকা।Note: এখানে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)- এর উল্লেখ নেই। মোট দেশজ উৎপাদনের সাথে নিট রপ্তানি যোগ করলেই GNP পাওয়া যায়। ধরে নেয়া হলো, নিট রপ্তানির পরিমাণ শূন্য। তাই মোট দেশজ উৎপাদন ও মোট জাতীয় উৎপাদন একই হয়েছে।