"উদ্দীপকে মিসেস নাজনিনের শ্রম এবং অফিস সহকারীর শ্রম এক নয়”- উক্তিটির সাথে আমি একমত। কারণ মিসেস নাজনিনের শ্রম মানসিক এবং কর্মীদের শ্রম শারীরিক।
অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি মানসিক প্রচেষ্টা নিয়োজিত করলে তাকে মানসিক শ্রম বলে। যেমন, উদ্যোক্তার উদ্যোগ গ্রহণ। অন্যদিকে, অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি যে দৈহিক বা কায়িক শ্রম প্রদান করে তাকে শারীরিক শ্রম বলে। যেমন- কুলি, মজুর।
উদ্দীপকে মিসেস নাজনিন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। মেধা ও অভিজ্ঞতার কারণে দিন দিন তার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তিনি রোগীদের সঠিক সেবা প্রদানের জন্য দুইজন অফিস সহকারী নিয়োগ দেন। এখানে মিস নাজনিন তার মেধা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে যে শ্রম দেন তা মানসিক শ্রমের অন্তর্গত। আবার দুইজন অফিস সহকারী দৈহিক বা কায়িক পরিশ্রম দিচ্ছেন; যা শারীরিক শ্রমের অন্তর্গত।
উদ্দীপকে মিসেস নাজনিন একজন ডাক্তার। তিনি দক্ষতার সাথে তার কাজ পরিচালনা করছেন। মিসেস নাজনিনের এমন কর্মকাণ্ডে মানসিক চিন্তা-চেতনা বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে; যা মানসিক শ্রমের অন্তর্গত। অন্যদিকে, তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কায়িক শ্রম বেশি দিতে হচ্ছে, যা শারীরিক শ্রমের অন্তর্গত। তাই আমি মনে করি, মিসেস নাজনিনের প্রতিষ্ঠানে উভয়ে শ্রম দিলেও মিসেস নাজনিন ও তার কর্মীদের কাজ এক নয়।