"শ্রমের গতিশীলতাই জনাব রূপমের শ্রমিক স্বল্পতার মূল কারণ"-উক্তিটির সাথে আমি একমত।
শ্রমিক তার কাজের উদ্দেশ্যে একস্থান থেকে অন্যস্থান, এক পেশা থেকে অন্য পেশা অথবা এক শিল্প থেকে অন্য শিল্পে গমন করাকে শ্রমের গতিশীলতা বলে। শ্রম হলো উৎপাদনের সবচেয়ে গতিশীল উপাদান। শ্রম নির্দিষ্ট স্থান বা কাজে স্থির থাকে না; বরং প্রয়োজনে তা পরিবর্তন করতে পারে।
উদ্দীপকের জনাব রূপমের চিংড়ি ঘেরে শ্রমিকের মাসিক বেতন ২০,০০০ টাকা কিন্তু সেই একই শ্রমিক জনাব মাসুদের চিংড়ি ঘেরে গিয়ে বেতন পায় ২৫,০০০ টাকা। অর্থাৎ একই শ্রমিক একই পরিমাণ শ্রম দিয়ে সমজাতীয় অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রতি মাসে (২৫,০০০-২০,০০০) বা ৫,০০০ টাকা বেশি বেতন পাচ্ছে। যে কারণে জনাব রূপমের প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক স্বল্পতা দেখা দিয়েছে।
উৎপাদনের প্রধান হাতিয়ার হলো শ্রমিক বা শ্রম। উৎপাদনের চাকা সচল রাখার জন্য শ্রমিকের শ্রম প্রয়োজন। জনাব রূপমের চিংড়ি ঘেরেও শ্রমিকরা শ্রম দিত। কিন্তু অধিক বেতনের আশায় অনেক শ্রমিক জনাব রূপমের চিংড়ি ঘের ছেড়ে চলে যায়। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, শ্রম গতিশীল। তাই বলা যেতে পারে, শ্রমের গতিশীলতাই জনাব রূপমের শ্রমিক স্বল্পতার মূল কারণ।