মি.জিসানের নতুন ব্যবসার সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্তটি যথার্থ। আর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি হিসেবে রূপ নিবে। উদ্দীপকে প্রাথমিক পর্যায়ে জিসান একাই সকল পরিচালনামূলক কাজ সম্পাদন করবেন। কার পরিচালন ক্ষমতা ও শ্রমিকের দক্ষতার মাধ্যমে তার পন্যের মান ভালো হওয়ায় ক্রেতার সংখ্যা দ্রুতই বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিরন্তন অস্তিত্ব বিশিষ্ট ব্যবসায় সংগঠন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।ব্যবসার সংগঠন গুলোর মধ্যে একমাত্র চিরন্তন অস্তিত্ব বিশিষ্ট সংগঠনটি হচ্ছে যৌথ মূলধনী কোম্পানি। উক্ত সংগঠনের জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। মি. জিসানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিবন্ধিত ও চিরন্তন অস্তিত্ব বিশিষ্ট ব্যবসায় সংগঠন হচ্ছে যৌথ মূলধনী কোম্পানি। যৌথ মূলধনী কোম্পানি হলো আইনসৃষ্ট,কৃত্রিম ব্যক্তি সত্তা অধিকারী, অস্তিত্ব বিশিষ্ট ব্যবসায় সংগঠন। যেখানে কতিপয় ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে স্বেচ্ছায় যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে। যৌথ মূলধনী কোম্পানির মাধ্যমে অধিক মূলধন, বৃহদায়তন উৎপাদন, ব্যবসার সম্প্রসারণ ইত্যাদি সুবিধা ভোগ করা যায়। উদ্দীপকেও মি.জিসান তার উক্ত সুবিধা ভোগ করার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে যৌথ মূলধনী কোম্পানিতে রূপান্তর করার কথা ভাবছে। যা তার ব্যবসায় সাফল্য বৃদ্ধির কারণে সিদ্ধান্তটি যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।