উদ্দীপকে উল্লেখিত সংগঠনটি হচ্ছে অংশীদারী সংগঠন। উক্ত সংগঠনটির দায় সীমাহীন এর কারণে এর প্রতি অধিকাংশ আগ্রহ প্রকাশ করে না বলে আমি মনে করি।
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি পরস্পর চুক্তিবদ্ধ হয়ে যে ব্যবসার সংগঠন গড়ে তোলে তাকে অংশীদারী ব্যবসায় বলে। ১৯৩২ সালের আইন অনুযায়ী ব্যবসায় সর্বনিম্ন দুইজন এবং সর্বোচ্চ ২০ জন সদস্য নিয়েই গঠিত ব্যবসার প্রতিষ্ঠানটি অংশীদারী ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বলে।
এক মালিকানা ব্যবসায় আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও অল্প পুঁজি ও কম পরিচালক ইত্যাদি অসুবিধা কারণে অনেক সময় ব্যবসার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হয় না। এমতাবস্থায় কয়েকজন ব্যক্তি একত্রিত হয়ে চুক্তির ভিত্তিতে প্রতি বিনিয়োগ করে ব্যবসাটির সম্প্রসারণ করতে পারে। যা একটি অংশীদারি ব্যবসায়ী হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু অংশীদারি ব্যবসায় কিছু সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধা রয়েছে। যেমন: সীমাহীন দায়, কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অভাব, বৃহদায়তন ব্যবসায় অসুবিধা ইত্যাদি।
উদ্দীপকে জাবেদ এবং জামসেদ দুইজন পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে একটি পুকুরে মাছ চাষের বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ হন। এখানে দেখা যাচ্ছে উল্লিখিত ব্যবসায়টি দুই বন্ধু চুক্তির মাধ্যমে স্থাপন করেন যা অংশীদারী সংগঠনের প্রধান বৈশিষ্ট্য। আবার উক্ত প্রতিষ্ঠানটি তারা প্রয়োজনে শ্রমিক ও সকল উপকরণ সংগ্রহ করে তা কাজে লাগায়। যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য পূরণ সহজ হয়। অর্থাৎ এসব বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে বলা যায়, তাদের প্রতিষ্ঠানটি অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।