উদ্দীপকে উল্লিখিত বুটিক হাউস টি অংশীদারি সংগঠন। দুই বা ততধিক ব্যক্তি পরস্পর চুক্তিবদ্ধ হয়ে যে ব্যবসা সংগঠন গড়ে তোলে তাকে অংশীদারি ব্যবসায় বলে। অংশীদারি ব্যবসার মূল ভিত্তি হচ্ছে চুক্তি। ১৯৩২ সালের আইন অনুযায়ী এ ব্যবসায় সর্বনিম্ন দুইজন এবং সর্বোচ্চ, ২০ জন সদস্য থাকতে পারে। তবে আর্থিক ও ব্যাংক ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সদস্য সর্বোচ্চ সীমা ১০ জন।উদ্দীপকে সুমি, মিমি ও জেমি তিন বন্ধু নিজেদের মধ্যে চুক্তির ভিত্তিতে একটি বুটিক হাউস স্থাপন করেন। কয়েক মাসের মধ্যেই তারা কাঙ্খিত মুনাফা অর্জনের সক্ষম হন। এখানে দেখা যাচ্ছে তিন বন্ধু যুক্তির মাধ্যমে স্থাপন করেন যা অংশীদারি সংগঠনের প্রধান বৈশিষ্ট্য। আবার উক্ত দোকানে তারা প্রয়োজনীয় সকল উপায়-উপকরণ সংগ্রহ করে তা কাজে লাগান। ফলে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হয়। তাই বলা যায় তাদের প্রতিষ্ঠানটি অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।