এয়ারলাইন্সটির প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য কাস্টোমাইজেশন বা ক্রেতা কেন্দ্রিকতার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্রেতার ফরমায়েশ অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও বন্টন করাই হলো ক্রেতা কেন্দ্রিকতা। এক্ষেত্রে উৎপাদক বা সেবা দানকারী নিজস্ব মান, আকার, সংখ্যা, মোড়কীকরণ ইত্যাদিকে প্রাধান্য না দিয়ে ক্রেতা চাহিদা কে প্রাধান্য দেওয়া হয়। উদ্দীপকে কুইক এয়ারলাইন্স নিয়মিতভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফ্ল্যাট পরিচালনা করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রীদের চাহিদা ও সামর্থ্য বিবেচনা করে বিভিন্ন দামের টিকিটের ব্যবস্থা করছেন। যাতে সব ধরনের যাত্রা তাদের কাছ থেকে টিকেট নিতে পারেন। সকল ধরনের ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়। এসব কার্যক্রমকে তার স্বতন্ত্র চাহিদার উপর বিবেচনা করা হয় বলে এটিকে ক্রেতাকেন্দ্রিকতা বলে। ক্রেতা কেন্দ্রিকতার ফলে চাহিদার মত পণ্য অতি সহজেই ক্রেতারা পেয়ে থাকে। আরজে পণ্য বা সেবা ক্রেতাদের মাঝে চাহিদা পূরণের সক্ষম হয় সেই পণ্য বাসে বা ক্রেতাদের মাঝে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয় এবং সুনাম অর্জন করে। মূলত এসব কারণেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি ব্যাপক সফলতা অর্জন করে।