উদ্দীপকে উল্লেখিত হাসি খুশির নতুন উদ্যোগের ফলে যৌথ মূলধনী কোম্পানি সৃষ্টিহবে, যা অত্যন্ত যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। আইনসৃষ্ট, কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী ব্যবসায় সংগঠনই হলো যৌথ মূলধনী কোম্পানি। এটি চিরন্তন অস্তিত্বসম্পন্ন হয়। এছাড়া, এটি শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে মূলধন গঠন করতে পারে। উদ্দীপকে উল্লেখিত হাসি ও খুশি নেত্রকোনা শহরে 'ঘরে তৈরি খাবার' নামে একটি অংশীদারি ব্যবসায় গঠন করে। খাবারে মান ভালো ও পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন হওয়ায় এটি জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সাফল্য অর্জন করায় তারা চিরন্তন অস্তিত্ববিশিষ্ট ব্যবসায় গড়ার কথা ভাবছে। চিরন্তন অস্তিত্ব হলো যৌথ মূলধনী কোম্পানির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। এটি আইনসৃষ্ট ও কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী হয়। উদ্দীপকে উল্লেখিত হাসি ও খুশি যৌথ মূলধনী কোম্পানি স্থাপনের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রির সুযোগ পাবে। এতে তারা ব্যবসায় সম্পাদনের জন্য পর্যাপ্ত মূলধন যোগান দিতে পারবে। ফলে তাদের মুনাফা অর্জনের সুযোগ বাড়বে। অন্যদিকে, এমন প্রতিষ্ঠানে আইন অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়। এতে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকায় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধাহবে। তাছাড়া, এ ধরনের প্রতিষ্ঠান আইন মেনে পরিচালিত হয় বলে বিলুপ্ত বা দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। এসব কারণেই আমি মনে করি, হাসি খুশির যৌথ মূলধনী কোম্পানি সৃষ্টির সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত যৌক্তিক।