দরিদ্র শ্রেণির দুধ বিক্রেতাদের সংগঠনের ধরন উল্লেখ করে দারিদ্র্য বিমোচনে সংগঠনটির গুরুত্ব মূল্যায়ন করো ।
উত্তর: দারিদ্র্য বিমোচনে দরিদ্র শ্রেণির দুধ বিক্রেতাদের গঠিত সমবায় সংগঠনের গুরুত্ব অনেক। একই শ্রেণিভুক্ত মানুষ পারস্পরিক ঐক্য, সহযোগিতা ও সমতার ভিত্তিতে সমবায় সংগঠন গড়ে তোলে । সমবায় আইন অনুযায়ী, কমপক্ষে ২০ জন সমজাতীয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে এ ধরনের সংগঠন গড়ে তুলতে পারে। সদস্যদের আর্থিক কল্যাণসাধন এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য। উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশ্বনাথ ঘোষের এলাকার দরিদ্র শ্রেণির দুধ বিক্রেতারা স্থানীয় দালালদের প্রভাবে দুধের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয়। এমতাবস্থায় পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় তারা একটি সংগঠন গড়ে তোলে। যার মাধ্যমে তারা তাদের উৎপাদিত সব দুধ একত্রিত করে বিশ্বনাথের কাছে বিক্রিকরে। ফলে তারা দুধের ন্যায্যমূল্য পায়। এখানে দুধ বিক্রেতারা সমশ্রেণিভুক্ত। আর সমবায় সংগঠনের মতো তাদের গড়া সংগঠনটি ও সদস্যদের আর্থিক কল্যাণে নিয়োজিত । সমবায় সংগঠনের মাধ্যমে দুধ বিক্রেতারা তাদের সব দুধ একসাথে বিক্রি করতে পারবে। এ কারণে মধ্যস্থব্যবসায়ী বা দালালরা আর আগের মতো সুযোগ নিতে পারবে না। পাশাপাশি তারা একতাবদ্ধ থাকায় যেকোনো সিদ্ধান্ত বিচার-বিশ্লেষণ করে নিতে পারবে। এতে করে তারা তাদের উৎপাদিত দুধের ন্যায্যমূল্য আদায়ের মাধ্যমে লাভবান হতে পারবে। ফলে তাদের দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। এসব দিক বিচেনায় বলা যায়, দারিদ্র বিমোচনে দরিদ্র শ্রেণির দুধ বিক্রেতাদের সমবায় সংগঠনের ভূমিকা অপরিসীম।
HSC Marketing 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Marketing 1st Paper · সৃজনশীল
দরিদ্র শ্রেণির দুধ বিক্রেতাদের সংগঠনের ধরন উল্লেখ করে দারিদ্র্য বিম…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর