উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে জাতীয় অর্থনীতিতে লিটন সাহেবের বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজটির ভূমিকা অধিক । যেসব প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োজিত মূলধন ৫০ কোটি টাকার বেশি এবং ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক কর্মরত থাকে, সেগুলো বৃহদায়তন শিল্প প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে, উৎপাদনমুখী মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োজিত মূলধন সীমা ১৫-৫০ কোটি টাকা এবং শ্রমিক সংখ্যা ১২১-৩০০ জন হয়। উদ্দীপকে উল্লেখিত জনাব পিটুর সিমেন্ট কারখানার শ্রমিক সংখ্যা ২০০ জন এবং মূলধন ২০ কোটি টাকা। এটি মাঝারি ব্যবসায়ের মূলধন সীমা ও শ্রমিক সংখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্যদিকে, একই এলাকার অন্য একটি সিমেন্ট কারখানার মালিক জনাব লিটন। তার ব্যবসায়ের বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০ কোটি টাকা এবং শ্রমিক সংখ্যা ৩৫০ জন। এক্ষেত্রে, তার কারখানাটি বৃহদায়তন শিল্পের বৈশিষ্ট্যকে পূরণ করছে । প্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধনের পরিমাণ বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধনের পরিমাণ মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর থেকে বেশি হয়। মূলধনের পরিমাণ বেশি হওয়ায় জনাব লিটনের প্রতিষ্ঠানে বেশি পরিমাণ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। আর উৎপাদন বেশি হলে দেশের জাতীয় আয়ও বাড়বে। এছাড়া, তার কারখানায় উৎপাদিত সিমেন্ট বিদেশে রপ্তানি করলে দেশের রপ্তানি আয়ও বাড়বে, যা অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে । তাই বলা যায়, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে জাতীয় অর্থনীতিতে উদ্দীপকে উল্লেখিত লিটন সাহেবের বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজটির ভূমিকা অধিক ।