মিসেস শীলা কর্তৃক অংশীদারি ব্যবসায় গঠনের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে চুক্তির ভিত্তিতে অংশীদারি সংগঠন গড়ে তোলে। এক্ষেত্রে চুক্তির ভিত্তিতেই অংশীদারদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমনকি মুনাফা এবং দায়-দায়িত্বও চুক্তির ভিত্তিতেই অংশীদারদের মাঝে বণ্টিত হয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত মিসেস শীলা প্রাথমিক পর্যায়ে একক মালিকানায় বুটিক শপ পরিচালনা করতেন। পরবর্তীতে পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণ করবেন বলে ভাবেন। আর এ লক্ষ্যে তিনি তার দুই বন্ধুকে নিয়ে চুক্তির ভিত্তিতে আরও তিনটি শোরুম খোলার সিদ্ধান্ত নেন। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে মিসেস শিলার সাথে তার দুই বন্ধুর একটি চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ক স্থাপিত হবে, যা অংশীদারি ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অংশীদারি ব্যবসায়গুলো একমালিকানা সংগঠনের তুলনায় বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে থাকে। এক্ষেত্রে একাধিক মালিক মূলধন সরবরাহ করায় মূলধনের পরিমাণ বেশি হয়। যার ফলে ব্যবসায় সম্প্রসারণ করা সহজ হয়। উদ্দীপকের মিসেস শীলাও এ সুবিধাটি ব্যবহার করে একাধিক শোরুম খোলার মাধ্যমে তার বিক্রি বাড়াতে পারবেন। তাছাড়া, মিসেস শীলা এবং তার বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে ব্যবসায়িক ঝুঁকি বণ্টনের মাধ্যমে একক ঝুঁকির পরিমাণও অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারবেন। পাশাপাশি অংশীদারি ব্যবসায় হিসেবে তারা কিছু আইনি সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করবেন। এসব দিক বিবেচনায় বলা যায়, মিসেস শীলা কর্তৃক সম্প্রতি গৃহীত সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক।