উদ্দীপকে উল্লেখিত মি. বাবুলের মিলে প্রতিদিন গড়ে ৬০ টন ডাল উৎপাদন করা হয় এবং এই পরিমাণকে কাম্য উৎপাদন মাত্রাকে নির্দেশ করে। যে মাত্রায় বা পরিমাণে পণ্য উৎপাদন করলে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় সর্বনিম্ন হয় তা-ই কাম্য উৎপাদন মাত্রা। এ মাত্রায় পণ্য উৎপাদন করা লাভজনক। কেননা এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়। উদ্দীপকে উল্লেখিত মি. বাবুল তার মিলে প্রতিদিন গড়ে ৫০ টন ডাল উৎপাদন করেন। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে তিনি গড়ে প্রতিদিন ৬০ টন ডাল উৎপাদন করছেন। তিনি দেখলেন, এতে তার প্রতিষ্ঠানের গড় উৎপাদন ব্যয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে এসেছে। যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদনে গড় ব্যয় সবচেয়ে কম হয় তা-ই কাম্য উৎপাদন মাত্রা। ৬০ টন পণ্য উৎপাদনের কারণে মি. বাবুল সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ উৎপাদন করতে পারছেন। তাই বলা যায়, মি. বাবুলের কাম্য উৎপাদন মাত্রা হলো ৬০ টন ডাল ।