“পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিই দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মূল ভিত্তি ।”— উক্তিটি যৌক্তিক। কেননা দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যবসায় সংগঠনটি হলো যৌথমূলধনী কোম্পানি তথা বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান ।যে সংগঠন কতিপয় ব্যক্তির স্বেচ্ছামূলক একটি সংগঠন, যা কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, কোম্পানি আইনের অধীনে গঠিত ও নিবন্ধিত এমন চিরন্তন অস্তিত্ববিশিষ্ট সংগঠনকে যৌথমূলধনী সংগঠন বলে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান অন্যান্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় বৃহদায়তন হয়ে থাকে।উদ্দীপকে মি. ফারুক ও তার বন্ধু শাস্তি প্রাথমিক পর্যায়ে একটি অংশীদারি সংগঠন গঠন করেন। এতে শিশুদের তৈরি পোশাকের দোকান প্রতিষ্ঠা করেন। দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দ্বারা অল্প সময়ের মধ্যে তারা ব্যবসায়ে ব্যাপক সফলতা লাভে সক্ষম হন। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তারা 'কিডস গার্মেন্টস লি.' নামে একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এখানে দেখা যাচ্ছে, তারা যে ধরনের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন তার নামের শেষে লিমিটেড কথাটি যুক্ত রয়েছে। উক্ত লেখাটি যৌথমূলধনী কোম্পানিকে নির্দেশ করে ।যৌথমূলধনী কোম্পানি হলো আইনসৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী এবং চিরন্তন অস্তিত্ববিশিষ্ট ব্যবসায় সংগঠন; যেখানে কতিপয় ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে স্বেচ্ছায় যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে। যৌথমূলধনী কোম্পানির মাধ্যমে অধিক মূলধন, বৃহদায়তন উৎপাদন, ব্যবসায় সম্প্রসারণ ইত্যাদি সুবিধা ভোগ করা যায়। উদ্দীপকের ফারুক ও শান্তি তাদের সংগঠনে উক্ত সুবিধা ভোগ করার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে যৌথমূলধনী কোম্পানিতে রূপান্তর করার কথা ভাবছেন। এক্ষেত্রে তাদের ব্যবসায়ের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে সিদ্ধান্তটি যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।