উদ্দীপকে ম্যাডামের আলোচিত বৃষ্টিপাত, কুয়াশা, তাপমাত্রা, তুষারপাত ইত্যাদি উপাদান দ্বারা কৃষি জলবায়ু নির্দেশ করা হয়েছে কারণ এগুলো হলো কৃষি জলবায়ুর উপাদান।
নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো স্থানের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, সূর্যালোক, বায়ুর চাপ, কুয়াশা ইত্যাদির সামগ্রিক অবস্থাকে আবহাওয়া বলে। আবার, কোনো স্থানের ২০-২৫ বছরের আবহাওয়ার গড়কে সেই স্থানের জলবায়ু বলা হয়। জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে কোনো নির্দিষ্ট স্থানের অক্ষাংশ, সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, সমুদ্রস্রোত, পাহাড় ও গাছপালার উপর। জলবায়ুর উপাদানসমূহ কৃষি উৎপাদনের উপর প্রভাব বিস্তার করে বিধায় একে কৃষি জলবায়ুও বলে। ঋতু ও স্থানভেদে কৃষি জলবায়ুর উপাদানগুলোর মাত্রাও ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেসব ফসল বেশি তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, দিবাদৈর্ঘ্য ইত্যাদি পছন্দ করে সেগুলো সাধারণত গ্রীষ্মকালে ভালো জন্মে। আর যেগুলো কম তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, দিবাদৈর্ঘ্য ইত্যাদি পছন্দ করে সেগুলো সাধারণত শীতকালে ভালো জন্মে। অর্থাৎ কৃষি জলবায়ুর অবস্থাভেদে বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানগুলো কৃষি জলবায়ুর উপাদান কারণ এগুলো কৃষির সাথে সম্পর্কিত। অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বৃষ্টিপাত, কুয়াশা, তাপমাত্রা, তুষারপাত ইত্যাদি নিঃসন্দেহে কৃষি জলবায়ুর উপাদান।