খরাপ্রবণ এলাকায় খরা আসার পূর্বেই তোলা যাবে এমন স্বল্পায়ু জাতের ফসল চাষ করতে হবে, যেমন- ব্রি ধান-৩৩, বিনা ধান ৭।
আবার, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭ ইত্যাদি খরা সহ্য করতে পারে। এসব এলাকায় বৃষ্টির মৌসুম শেষ হওয়ার পর মাটিতে জো আসার সাথে সাথে অগভীর চাষ দিয়ে রাখতে হবে। তাহলে জমির পানি সহজে বাষ্পীভূত হবে না। আবার চারা রোপণ ও সেচ প্রদানের পর জাবড়া, যেমন- শুকনো খড়, লতা-পাতা, কচুরিপানা ইত্যাদি দিয়ে মাটি আচ্ছাদিত করে দিতে হবে। এর ফলে পানি সহজে বাষ্পীভূত হয় এ না এবং আগাছা কম জন্মায়। এসবের বদলে কালো পলিথিন শিটও ব্যবহার করা যায়। যদি বৃষ্টিপাত খুবই কম হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে জমির বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট নালা কেটে জমিতে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করা যায়। এ পানি গড়িয়ে জমির বাইরে যায় না এবং মাটি কর্তৃক সমস্ত পানি শোষিত হয়। গোপালগঞ্জের কৃষকেরা খরাকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে ভালোভাবে ফসল উৎপাদনের জন্য উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করতে পারেন।